প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০১৬ সালে একটি অডিশন দিতে গিয়ে আকাঙ্ক্ষা চমোলা ও গৌরব খন্নার মধ্যে আইডেন্টিফিকেশন প্রক্রিয়া শুরু হয়। এরপর থেকেই তাঁরা প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। এবং সেই বছরই তাঁদের বিয়ে ঘটে। কিন্তু সেই ঘটনার পর থেকে তাঁরা প্রায়ই খবরের শিরোনাম হয়ে থাকেন।
রিয়্যালিটি শো ‘লক আপ’-এ প্রতিযোগী হিসাবে যোগ দেওয়ার পর থেকেই আকাঙ্ক্ষা চমোলা আলোচনা ও চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। অভিনেত্রী গৌরব খন্নার সঙ্গে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত, সন্তান না-নেওয়ার ইচ্ছা এবং নিজের যৌন অভিরুচি নিয়ে খোলামেলা মন্তব্য— এসব কারণেই বার বার তিনি শিরোনামে উঠে এসেছেন।
সম্প্রতি অনুষ্ঠানের তৃতীয় সপ্তাহের ‘জাজমেন্ট ডে’-তে আকাঙ্ক্ষার বাদ পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। সেদিন সুফি, যোগেশ, হর্ষদ এবং শিবাঙ্গীর সঙ্গে তিনি উপস্থিত ছিলেন। ওই দিন ‘জনতার কণ্ঠস্বর’ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা অর্জুন কপূর। অন্যদিকে, দুই সঞ্চালক ফরাহ খান ও রীতেশ দেশমুখের হাতে ছিল পাঁচ ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিযোগীর মধ্যে একজনকে রক্ষা করার ক্ষমতা। তারা একযোগে আকাঙ্ক্ষাকে নিরাপদ ঘোষণা করেন।
নিজের নাম ঘোষণার পর আকাঙ্ক্ষা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এবং তিনি বলেন, “আপনাদের সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনাদের কাছ থেকে এই স্বীকৃতি পেয়ে খুব ভাল লাগছে। গত কয়েক মাস ধরে গোটা দেশ আমাকে ভুল বুঝেছে। কারও স্ত্রী হওয়ার জন্য আমার কাছ থেকে কী ধরনের আচরণ প্রত্যাশিত, তা নিয়ে নানা বিচার হয়েছে। আজ যদি আমি কিছু ভুল ধারণা ভাঙতে পেরে থাকি এবং একজন নারী আসলে কেমন হতে পারেন, সেই ব্যাপারটি তুলে ধরতে পেরে থাকি, তবে আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ। সেই জায়গাটা দেওয়ার জন্য এই মঞ্চকে ধন্যবাদ।”
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে একটি অডিশন দিতে গিয়ে গৌরব ও আকাঙ্ক্ষার পরিচয় ঘটে এবং প্রেম শুরু হয়। ওই বছরের ২৪ নভেম্বর কানপুরে তিন দিন ধরে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁদের বিয়ে হয়।
‘লক আপ ২’ দ্য শো শুরুর সময়েই আকাঙ্ক্ষা জানান, বর্তমানে তাঁর বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়া চলছে, যা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। পরবর্তীতে নানাভাবেই বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে। কিছুদিন আগে আকাঙ্ক্ষা জানান, ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে তাঁর ভাবনা বদলে গিয়েছে। জীবনযাপনের এই পর্যায়ে তিনি নারী বা পুরুষ, কারোর সঙ্গেই শারীরিক সম্পর্কের কোনো আকাঙ্ক্ষা অনুভব করছেন না।
তিনি সন্তানের না-চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও বক্তব্য রেখেছেন। তিনি বলেন, “বেশিরভাগ মানুষ বিয়ে করেন পরিবার গড়ার এবং সন্তান নেওয়ার জন্য। গৌরবের সেই ইচ্ছা ছিল, কিন্তু আমার মধ্যে মাতৃত্বের অনুভূতি নেই। আমি তাকে এমন একটা সম্পর্কে আটকে রাখতে চাইনি, যেখানে তার সেই ইচ্ছা পূরণ হবে না।”
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন