প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণের রায়কে গুরুত্ব না দিলে তারা বসে বসে আঙ্গুল চুষবে না। তিনি এ বিষয়টি আরও নিশ্চিত করে জানান, গণভোটের রায়কে বাস্তবায়ন করতে হবে। ১৮ কোটি মানুষ নিয়ে গঠিত এই দেশে, তারা কাউকে কোনো রকম ইজারা দেবেন না।
শনিবার (১৩ জুন) চট্টগ্রামের লালদিঘী ময়দানে অনুষ্ঠিত ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সমাবেশে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম মন্তব্য করেন, সরকার যদি পুরনো স্বৈরতন্ত্রের পথে হাঁটে, তবে জনগণকে আবারও গণঅভ্যুত্থানের দিকে যেতে হবে।
গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন দাবিতে চট্টগ্রামের লালদিঘী ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। নেতাকর্মীরা বিভাগের ১১টি জেলা এবং তিন পার্বত্য জেলা থেকে এসে এই সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন। ঐতিহাসিক এই মাঠটি কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলাম হাত নেড়ে মঞ্চে আসেন।
এরপর, বিরোধী দলের নেতা বলেন, গণভোটের রায়কে বাস্তবায়ন করতে হবে, যাতে গণমানুষের স্পষ্ট অধিকার রক্ষা পায়। নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, জুলাই সনদ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে, সরকার যদি স্বৈরতন্ত্রের দিকে হাঁটে, তাহলে বিএনপির পতন ঘটানোর জন্য আবারও জুলাইয়ের মাধ্যমে আন্দোলন হবে।
তিনি এ সময় মন্তব্য করেন, বড় বাজেটের মাধ্যমে বড় চাঁদাবাজি করতে চায় বিএনপি এবং বাজেটে জুলাই শহীদের রক্ত জায়গা পায়নি, এটা যথেষ্ট দুঃখজনক।
এই সময় বক্তারা জানান, সবারই সীমান্তে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। যদি সরকার একদলীয় বাকশালী শাসন বাস্তবায়নের পাঁয়তারা করে, তবে তাদের রুখে দিতে হবে।
এদিকে, এলডিপির সভাপতি ড. কর্নেল অলি আহমদ এ বিষয়ে বলেন, এ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন চট্টগ্রাম থেকেই শুরু হবে। ডাকাতেরা ভারতের কলকাতায় এবং চোরেরা বাংলাদেশে। এ জন্য সীমান্তে যাওয়ার প্রস্তুতি রাখতে হবে।
অবশেষে, বক্তারা জানিয়ে দেন, আগামী ২০ জুন খুলনায় ১১ দলের বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন