প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশের প্রজাতির মাছ এবং মৎস্য সম্পদ রক্ষার্থে কুড়িগ্রাম জেলায় সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অবৈধ কারেন্ট জাল এবং ক্ষতিকারক ‘চায়না দুয়ারি’ জালের বিরুদ্ধে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে প্রকাশ পায়, মঙ্গলবার বিকেলে জেলার ৯টি উপজেলায় একযোগে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল জব্দ এবং ধংস করা হয়।
জানানো হয়েছে, নদ-নদী এবং জলাশয়ে অবৈধ জালের ব্যবহার বন্ধে এই অভিযান চালানো হয়েছে। বেচাকেনা, সংরক্ষণ ও মজুত প্রতিরোধের লক্ষ্যে অভিযান চালানো হয়। পুরো দিন ব্যাপী পরিচালিত অভিযানে সমগ্র জেলা থেকে প্রায় ১৭৪টি রিং জাল (চায়না দুয়ারি) এবং ৫২ পিস অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে এসব ক্ষতিকারক জাল সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে পুরোপুরি ভস্মীভূত করা হয়।
এছাড়া, মৎস্য সুরক্ষা এবং সংরক্ষণ আইন অমান্য করে অবৈধ কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরা অপরাধে জড়িত একাধিক ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত মাধ্যমে তাৎক্ষণিক জরিমানা করা হয়।
মৎস্য সম্পদ রক্ষা করার জন্য জেলা প্রশাসনের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক বলেন, ‘কারেন্ট জাল এবং চায়না দুয়ারির মতো ধংসাত্মক জাল আমাদের নদ-নদীর দেশীয় মাছের রেণু ও প্রজননক্ষম মাছ একবারে নিধন করে ফেলছে। মৎস্য সম্পদ রক্ষা করা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব। আজ সকল উপজেলায় একযোগে এই বার্তা দেয়া হয়েছে যে, অবৈধ জালের ব্যবহার বা ব্যবসার ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেয়া হবে না। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই অভিযান নিয়মিত এবং অব্যাহত থাকবে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালত টিম স্থানীয় থানা পুলিশের সহযোগিতায় নিজ নিজ উপজেলায় এসব অভিযান পরিচালনা করে। জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে প্রজনন নিশ্চিত এবং মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে অবৈধ জালের ব্যবহার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে না আনা পর্যন্ত এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন