প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
উত্তর কোরিয়া একটি নতুন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র উন্মোচন করেছে। এই স্থাপনা মূলত পারমাণবিক বোমার জন্য জ্বালানি উৎপাদনে সক্ষম। দেশটির নেতা কিম জং উন ঘোষণা করেছেন, তাঁর দেশ পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার ‘জ্যামিতিক হারে’ সম্প্রসারণের কাজ করবে।
বৃহস্পতিবার, উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) নতুন প্ল্যান্টের বেশ কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছে। ছবি থেকে দেখা যায়, কিম পরিদর্শনের সময় সরু করিডোর দিয়ে হাঁটছেন। তার দুই পাশে রূপালি রঙের নল ও পাইপ রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এগুলো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে ব্যবহৃত সেন্ট্রিফিউজ হলের সঙ্গে সম্পর্কিত।
আরেকটি ছবিতে কিমকে একটি বৈঠক কক্ষে দেখা যায়, যেখানে টেবিলের ওপর একটি অস্পষ্ট চিত্র ছিল। এই চিত্রে শঙ্কু আকৃতির একটি বস্তুর নকশা রয়েছে, যা সম্ভবত পারমাণবিক ওয়ারহেডের নকশা হতে পারে।
কেসিএনএ জানিয়েছে, নতুন এই স্থাপনাটিতে ‘আরও উন্নত প্রযুক্তি’ ব্যবহৃত হয়েছে। তবে স্থাপনাটির অবস্থান সম্পর্কে কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
এটি তৃতীয়বারের মতো যেকোনো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রের তথ্য প্রকাশ করলো উত্তর কোরিয়া। এর পূর্বে ২০১০ সালে ইয়ংবিয়ন পারমাণবিক কমপ্লেক্সে এমন এক স্থাপনা প্রকাশ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০২৪ সালে আরেকটি গোপন স্থাপনার ছবি প্রকাশিত হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার একীভূতকরণ মন্ত্রী গত সেপ্টেম্বরে বলেছিলেন, উত্তর কোরিয়ার চারটি স্থাপনায় নিয়মিত কার্যক্রম চলছে।
স্থাপনাটি পরিদর্শনের সময় কিম জং উন মন্তব্য করেন, শত্রুদের সঙ্গে মুখোমুখি অবস্থানের জন্য পারমাণবিক প্রতিরোধক্ষমতাকে গুণগত ও পরিমাণগত—উভয় দিক থেকেও শক্তিশালী করার প্রয়োজন বেড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়াকে লক্ষ্য করে কথা বলছেন।
কিম আরও দাবি করেন, পাঁচ বছর আগের তুলনায় উত্তর কোরিয়ার ‘পারমাণবিক উপাদানের উৎপাদন সক্ষমতা দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে’। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কিমের লক্ষ্য হলো উত্তর কোরিয়াকে পারমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি আদায় করা। এরপর জাতিসংঘের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করতে পারেন তিনি। ভবিষ্যতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে অস্ত্র হ্রাস কেন্দ্রিক আলোচনায় অংশ নিয়ে কিছু সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করতে পারেন। সূত্র: কোরিয়া টাইমস, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন