প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের মহারাষ্ট্রের পুনে জেলার পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় এলাকার মোশি বর্জ্য ডাম্পিং ইয়ার্ডে ময়লার বিশাল স্তূপ ধসে যাওয়ার ঘটনায় প্রশাসনিক ভবন চাপা পড়ার ফলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮ জনে দাঁড়িয়েছে।
শনিবার (১১ জুলাই) অভিযানের সময় ভবনের ভিতর থেকে আরও সাতজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা সবাইকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় এখনও একজন নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারের জন্য সেনাবাহিনী, জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ) এবং স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে একটি জোরালো উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় পৌর করপোরেশন পরিচালিত মোশি বর্জ্য ডিপোর ‘ওয়েস্ট-টু-এনার্জি’ প্রকল্পের প্রশাসনিক ভবনের ওপর গত বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে হঠাৎ করে ময়লার বিশাল স্তূপ ধসে পড়ে। এ সময় ভবনের ভিতরে ২২ জন এবং ভবনের পাশের ময়লার স্তূপের নিচে আরও একজন চাপা পড়েন। দুর্ঘটনার পরপরই ৫ জন নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন।
দুর্ঘটনার পর ভারতীয় সেনাবাহিনী, এনডিআরএফ, পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় পৌর করপোরেশন, পিএমআরডিএ ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রথম দিনে ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে ৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তবে বৃহস্পতিবার ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হওয়া ভবেশ ওয়ানিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
উদ্দেশ্য এবং নিরাপত্তার কারণে, উদ্ধারকাজে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় ভবনের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা। ধসে পড়া ভবনের কংক্রিটের অংশ যেকোনো সময় ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় উদ্ধারকর্মীদের অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হচ্ছিল। ধ্বংসস্তূপ সরাতে ১২টি এক্সকাভেটর, ডাম্পার ও জেসিবি মেশিন ব্যবহার করা হয়। শুক্রবার রাতে আরও দুটি আধুনিক ডেমোলিশন এক্সকাভেটর আনা হয়। এনডিআরএফের কারিগরি তত্ত্বাবধানে ভবনের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অংশ নিয়ন্ত্রিতভাবে অপসারণের পরে উদ্ধারকারীরা ভবনের ভিতরে প্রবেশ করতে সক্ষম হন।
এদিকে, ভবনের পাশের ময়লার স্তূপের নিচে চাপা পড়া একজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তাকে খুঁজে বের করার জন্য এনডিআরএফের প্রশিক্ষিত কুকুর, বিশেষায়িত যন্ত্রপাতি এবং ভারী সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শেষ নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধার না করা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সূত্র: এনডিটিভি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন