প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের নাইলা ও শোলাবাড়ি এলাকার মাঝ দিয়ে প্রবাহিত জাফর খালের ওপর দীর্ঘ ২৫ বছরেও একটি সংযোগসেতু নির্মাণ না হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার মানুষ। বছরের পর বছর স্থানীয়রা নিজেদের অর্থায়নে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পানিশ্বর ও চুন্টা ইউনিয়নের অন্তত ১৫ থেকে ২০টি গ্রামের মানুষ উপজেলা সদর, জেলা শহর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যাতায়াতের জন্য এই পথ ব্যবহার করেন। কিন্তু সেতু না থাকায় প্রতিবছর স্থানীয়দের চাঁদায় বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। নৌযান চলাচলের সুবিধার্থে সাঁকোটি উঁচু করে নির্মাণ করায় নারী, শিশু, বয়স্ক ও গর্ভবতী নারীদের চলাচলে চরম ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। সাঁকো পারাপারে জনপ্রতি ৫ টাকা করে নেওয়া হয়।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বর্ষা মৌসুমে পানির প্রবল স্রোতে প্রায়ই সাঁকোটি ভেঙে যায়। এরপরও বছরের সাত থেকে আট মাস এই সাঁকোই কয়েকটি গ্রামের মানুষের একমাত্র ভরসা। প্রতিবছর সাঁকো থেকে পড়ে আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। অতীতেও খাল পার হতে গিয়ে কয়েকজনের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
পানিশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তৌহিদ মিয়া বলেন, “প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার মানুষ এই পথ ব্যবহার করেন। দীর্ঘদিন ধরে সেতু নির্মাণের দাবি জানানো হলেও এখনো কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। জনস্বার্থে দ্রুত একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ প্রয়োজন।”
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সরাইল উপজেলা প্রকৌশলী ছিবগাত উল্লাহ জানান, ওই স্থানে সেতু নির্মাণের জন্য প্রস্তাব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্যও এ বিষয়ে ডিও লেটার দিয়েছেন। অনুমোদন পেলেই নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন