প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর রায়েরবাগের জোড়াখাম্বা এলাকার একটি মাদরাসা থেকে শিশু শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দুজনের মধ্যে একজন মাদরাসার শিক্ষকের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৩ অগাস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামি হাফেজ মো. জাকারিয়া রওয়াজাতুল উলূম হাফিজিয়া নুরানী মাদরাসার শিক্ষক বলে জানা যায়।
এছাড়া, বয়স বিবেচনায় শিশু হিসেবে জুবায়ের নামে আরেক আসামির রিমান্ড শুনানির জন্য শিশু আদালতে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এই দিন কারাগার থেকে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। বাদীপক্ষের আইনজীবী হারুনর রশীদ খান রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন।
অন্যদিকে আসামিপক্ষে দেওয়া ইমদাদুল আলম রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন প্রার্থনা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে, ৩ আগস্ট দুপুরে ওই মাদরাসার তৃতীয় তলার বাথরুম থেকে মো. নাঈম শেখ নামে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি তার মা নাজমা বেগমের দায়ের করা হত্যা মামলায় উঠে আসে।
মামলার পর রাত ১০ টার দিকে পুলিশ তাদের মাদরাসা থেকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তী সময়ে, ৪ আগস্ট তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। পরদিন, ৫ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কদমতলী থানার এসআই আমজাদ হোসেন তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ট চাইলে আদালত ১৩ আগস্ট শুনানির দিন ধার্য করেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, নাজমা বেগমের দুই ছেলে ওই মাদরাসায় পড়াশোনা করছে। আসামিরা বিভিন্ন কারণে নাঈমকে নির্যাতন করতো। শিশুটি বিষয়টি তার মায়ের কাছে প্রকাশ করে। নাজমা তার ছেলেকে মাদরাসা থেকে নিয়ে আসতে চাইলেও আসামিরা জানায় যে তারা ছাড়পত্র দেবে না। এই কারণে নাঈম সেখানে পড়াশোনা করতে অস্বীকার করলে আসামিরা ক্ষিপ্ত হয়ে নির্যাতন করতে থাকে। গত সোমবার দুপুর ১টার দিকে নাঈম তার শিক্ষকদের জানান যে, সে মাদরাসায় পড়বে না। এ সময় তার উপর মারধর করা হয় এবং চেঙ্গাদোলা করে রাখা হয়। পরে, দুপুর ১টা থেকে আড়াইটার মধ্যে আসামিরা নাঈমকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন