প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী ঘুমধুম ইউনিয়নের ভালুকিয়া এলাকায় আবারও ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় এক কৃষক আহত হয়ে পড়েন।
বুধবার (২৪ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার সময় একটি কলাবাগানে কাজ করার সময় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
আহত কৃষকের নাম শফি আলম। তিনি নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার রেজুয়ামতলী গ্রামের বাসিন্দা এবং মো. হালু মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সীমান্তের ৪১ নম্বর মেইন পিলার থেকে প্রায় এক কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে এবং হাতুরানী বিওপি থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত একটি কলাবাগানে কাজ করার সময় হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে।
এই বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই স্থানীয় বাসিন্দা মো. শফি আলম (৩০) আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার চিকিৎসা চলমান রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিস্ফোরণের প্রচণ্ড শব্দে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সীমান্তসংলগ্ন জনপদে বসবাসকারী সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন ধরেই নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছেন। বিশেষ করে কৃষিকাজ, বাগান পরিচর্যা এবং পাহাড়ি এলাকায় চলাচলের সময় তারা অজানা ঝুঁকির মুখোমুখি হচ্ছেন।
প্রসঙ্গত, একই এলাকার নিকটবর্তী স্থানে গত ২৪ মে পরপর দুটি ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় তিনজন স্থানীয় আদিবাসী নিহত হন। ওই ঘটনার এক মাসেরও কম সময়ের ব্যবধানে আবারও মাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় সীমান্তবাসীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো দ্রুত শনাক্ত করে কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম কায়রুল আলম মন্তব্য করেন, ঘুমধুম ইউনিয়নের ভালুকিয়া এলাকায় একটি মাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। ঘটনাটি আমাদের নজরে এসেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন