প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজায় সাধারণ ইরানিদের শোক প্রকাশ এবং বিলাপ দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তিনি এ উপলক্ষে বলেছেন, ইরানের সাধারণ মানুষ খামেনিকে তীব্র ঘৃণা করে বলার তার বিশ্বাস ছিল।
রাষ্ট্রীয়ভাবে খামেনির জানাজা ও শোকানুষ্ঠান ঘটছে, যা ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় নিহত হওয়ার চার মাস পর পরিচালিত হচ্ছে। গত শুক্রবার (৩ জুলাই) শুরু হওয়া সপ্তাহব্যাপী শোকানুষ্ঠানে রাজধানী তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন শহরে লাখো মানুষ তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছে।
শুক্রবার (৪ জুলাই) মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, ট্রাম্প খামেনির রাষ্ট্রীয় দাফন অনুষ্ঠান নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, খামেনির প্রয়াণে ইরানিদের স্বতঃস্ফূর্ত শোকের চিত্র দেখে তার ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, ‘আমি ভেবেছিলাম মানুষ তাকে ঘৃণা করে’ বলে।
একই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অত্যন্ত আক্রমণাত্মক সুরে বলেছেন, খামেনির দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া সমস্ত মানুষকে মুহূর্তের মধ্যে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার সামরিক সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের আছে। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি তা করবেন না।
তিনি জানান, এই ধরনের কোনো চরম পদক্ষেপ নিলে পরবর্তীতে সংলাপের জন্য ওপাশে আর কোনো মানুষই অবশিষ্ট থাকবে না এবং এজন্য তিনি এই ধরনের হুমকি বাস্তবায়ন করা থেকে বিরত থাকছেন।
এর আগে ট্রাম্প এ দাবি করেছেন যে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছাতে আগ্রহী। তিনি আরও বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনির দাফন ও শোকানুষ্ঠানের জন্য ওয়াশিংটন তেহরানকে ‘এক সপ্তাহ সময়’ দিয়েছে।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উদ্যাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে, সাউথ ডাকোটার মাউন্ট রাশমোরে দেয়া ভাষণে ট্রাম্প জানান, ‘আমরা ভালো মানুষ বলেই তাদের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার জন্য এক সপ্তাহ সময় দিয়েছি।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন