প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বেলুচিস্তান প্রদেশের একটি কোস্ট গার্ড ক্যাম্পে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দায় স্বীকার করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত সশস্ত্র সংগঠন বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)।
সংগঠনটির বক্তব্য অনুযায়ী, হামলায় আধাসামরিক বাহিনীর ৩০ জনেরও বেশি সদস্য নিহত হয়েছেন এবং অন্য অনেক আহত হয়েছেন। তবে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
শনিবার (৪ জুলাই) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বিএলএ জানায়, এ হামলা শুক্রবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা ৩২ মিনিটে গোয়াদর জেলার উপকূলীয় শহর জিওয়ানির পানওয়ান কোস্ট গার্ড ক্যাম্পে ঘটেছে যেখানে বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি নিয়ে আত্মঘাতী হামলা চালানো হয়।
বিএলএর দাবি অনুযায়ী, তাদের মজিদ ব্রিগেডের সদস্য আতাউল্লাহ বেলুচ, যিনি আজমল নামেও পরিচিত, নিরাপত্তা বলয় অতিক্রম করে বিস্ফোরকভর্তি গাড়িটি ক্যাম্পের ভেতরে প্রবেশ করিয়ে বিস্ফোরণ ঘটান। বিএলএ জানায়, এটি ছিল একটি সুইসাইড ভেহিকল-বোর্ন ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস হামলা এবং এটি একটি সমন্বিত অভিযানের অংশ।
এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটিতে দেখা যায়, মহাসড়কের পাশেই অবস্থিত ক্যাম্পটি হঠাৎ বিস্ফোরণে উড়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য বেলুচিস্তান পোস্ট-এর প্রতিবেদনে বিএলএর মুখপাত্র জিয়ান্দ বেলুচ দাবি করেন, বিস্ফোরণের ফলে কোস্ট গার্ডের ঘাঁটিটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, হামলার পর সংগঠনের ‘ফাতেহ স্কোয়াড’ ধ্বংসপ্রাপ্ত ক্যাম্পে চারদিক থেকে আক্রমণ চালিয়েছে।
বিএলএ দাবি করে, তাদের হামলায় আধাসামরিক বাহিনীর ৩০ জনেরও বেশি সদস্য নিহত ও বহু সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা সদস্যদের কারণে হতাহতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলেও সংগঠনটি উল্লেখ করেছে।
অন্যদিকে, হামলার পরও বেলুচিস্তান প্রাদেশিক সরকার বা পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। ফলে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
বেলুচিস্তানে দীর্ঘকাল ধরে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘাত চলছে। সাম্প্রতিককালে নিরাপত্তা বাহিনীর উপর হামলার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন