ঢাকা শনিবার, ১৬ই মে, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ৩০শে জ্বিলকদ, ১৪৪৭হিজরী
শনিবার, ১৬ই মে, ২০২৬ইং ০২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩বাং

মেসেজিং অ্যাপ ইন্ডাস্ট্রিতে যুক্ত হচ্ছে ‘এক্সচ্যাট’


মেসেজিং অ্যাপ ইন্ডাস্ট্রিতে যুক্ত হচ্ছে ‘এক্সচ্যাট’

মেসেজিং অ্যাপের বাজারে ‘এক্সচ্যাট’ নতুন প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে হাজির হতে চলেছে। জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এর মালিক ইলন মাস্ক এই নতুন অ্যাপটির চালুর পরিকল্পনা করেছেন। এটি হোয়াটস অ্যাপ ও সিগন্যালের আদলে নির্মিত হয়েছে।

প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, ‘এক্সচ্যাট’ একটি আধুনিক ও নিরাপদ যোগাযোগমাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। এতে এনক্রিপশন সুবিধার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ব্যক্তিগত বার্তা আদান-প্রদান করতে সক্ষম হবেন। ফলে প্রেরক ও প্রাপক ছাড়া অন্য কেউ এই বার্তার তথ্য জানতে পারবেন না।

অ্যাপটিতে থাকবে অডিও ও ভিডিও কল, ছবি ও ফাইল শেয়ারিং, গ্রুপ চ্যাটসহ বিভিন্ন ফিচার। এছাড়া পাঠানো বার্তা সম্পাদনা ও মুছে ফেলার সুবিধাও প্রদান করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ইনস্টাগ্রামের নতুন ফিচার, দেখা শেষ হলেই উধাও হবে ছবি

প্রাথমিকভাবে ‘এক্সচ্যাট’ চালু হবে আইওএস ও আইপ্যাডওএস প্ল্যাটফর্মে। তাই প্রথমে আইফোন ও আইপ্যাড ব্যবহারকারীরা এই সেবা লাভ করবেন।

জানা গেছে, আগামী ১৭ এপ্রিল অ্যাপটি আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত হতে পারে।

তবে গুরুত্বপূর্ণ একটি শর্ত হলো— এটি ব্যবহারের জন্য অবশ্যই এক্স-এ একটি অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। অর্থাৎ, এটি সম্পূর্ণ স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম নয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি ‘এক্স’-এর ব্যবহারকারীদের জন্য একটি বাড়তি সুবিধা হলেও, বাজারে ইতোমধ্যে শক্ত অবস্থানে থাকা হোয়াটস অ্যাপ ও সিগন্যালের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করা সহজ হবে না। কারণ, এসব অ্যাপ ব্যবহারের জন্য অন্য কোনও প্ল্যাটফর্মে অ্যাকাউন্টের প্রয়োজন নেই এবং অ্যান্ড্রয়েডসহ সব প্ল্যাটফর্মে তাদের ব্যবহারকারী সংখ্যা অনেক বেশি।

আরও পড়ুন: প্রশ্নের জবাব না পেয়ে ভোগান্তিতে গ্রক ব্যবহারকারীরা

সব মিলিয়ে, ‘এক্সচ্যাট’ কতটা জনপ্রিয়তা পাবে, তা নির্ভর করবে এর ব্যবহারযোগ্যতা, নিরাপত্তা, এবং ব্যবহারকারী আকৃষ্ট করার কৌশলের ওপর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুনামগঞ্জে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে ৫ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৪ই মে, ২০২৬ ইং

০৮:৫১ পি.এম


সুনামগঞ্জে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে ৫ জনের মৃত্যু

সুনামগঞ্জের সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়কে বাস এবং সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে ৫ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজনের নাম ইউসুফ আলী। তিনি সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাসিন্দা। তবে বাকি চারজনের নাম ও পরিচয় সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি।

ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (৪ মে) বিকেল ৩টার দিকে, ছাতক উপজেলার জালালপুর বদিরগাঁও এলাকায়।

জানা যায়, ঢাকা থেকে রিফাত পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাস সুনামগঞ্জের দিকে আসছিল। ওই সময় সুনামগঞ্জ থেকে যাত্রী নিয়ে একটি সিএনজি সিলেটের দিকে যাওয়ার পথে ছিল। বাস ড্রাইভার তার মোবাইলে ব্যস্ত থাকার কারণে বাসটি সিএনজির ওপর উঠে যায়। এই ঘটনায় বাস এবং সিএনজি রাস্তার নিচে ছিটকে পড়ে, যার ফলে ঘটনাস্থলেই সিএনজির দুজন যাত্রী নিহত হন। এতে গাড়ির চালকসহ তিনজন আহত হন। পরে স্থানীয় জনগণ তাদের উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তারা মারা যান বলে জানান সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তা এসআই মোরশেদ আলম।

স্থানীয় বাসিন্দা নিজাম উদ্দিন ঘটনার বিষয়ে বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ছুটে আসি। তখন বাসের এক নারী যাত্রী আমাদের জানান, বাসচালক মোবাইল ফোনে কথা বলায় ব্যস্ত ছিলেন। হঠাৎ তিনি সিএনজির ওপর গাড়ি তুলে দিলে দুর্ঘটনা ঘটে।’

এসআই মোরশেদ বলেন, ‘ঘটনাস্থলেই দুজন মারা গেছে এবং ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তিনজন মারা গেছে।’

সুনামগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার সুজন সরকার জানান, ‘জালালপুরে ঘটনার জন্য ঘটনাস্থলে দুজন নিহত হয়েছে এবং সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তিনজন মারা গেছে। এছাড়া আলাদা ঘটনায় নারায়ণপুরে আরেক নারী পথচারী বাসচাপায় নিহত হয়েছেন।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মামলা: শ্যোন অ্যারেস্ট ঘিরে ঘাটে ঘাটে বাণিজ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ জুয়েল রানা

সোমবার, ৪ই মে, ২০২৬ ইং

০৮:৫২ পি.এম


জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মামলা: শ্যোন অ্যারেস্ট ঘিরে ঘাটে ঘাটে বাণিজ্য

মোঃ জুয়েল রানা: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সারা দেশে সহিংসতার ঘটনায় করা মামলাগুলোয় ঢালাওভাবে আসামি করার অভিযোগ রয়েছে। এসব মামলায় আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পরও অনেক আসামির কারামুক্তি মিলছে না। জামিনের পর কারামুক্তির আগেই দেখানো হচ্ছে অন্য কোনো মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট। এমন ঘটনা অহরহ ঘটছে। কাগজে-কলমে জামিন মানেই মুক্তি নিশ্চিত হলেও বাস্তবে কারাগারের দরজা খুলতে লাগছে পাঁচ স্তরের অদৃশ্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স। অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে, জামিন, কারামুক্তি ও শ্যোন অ্যারেস্ট ঘিরে প্রতিটি ধাপেই অনিয়ম ও বাণিজ্যের অভিযোগ। রাজধানীর বিভিন্ন থানার ২০টি মামলা বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
আইনসংশ্লিষ্টরা বলছেন, সিআরপিসি অনুযায়ী এবং সুপ্রিম কোর্টের বিভিন্ন নজির অনুযায়ী আদালত জামিন মঞ্জুর করার পর তা কার্যকর করা প্রশাসনের দায়িত্ব। জামিন পাওয়া আসামিকে অযথা কারাগারে আটকে রাখা বা কারামুক্তিতে বিলম্ব করা আইনের পরিপন্থি। ফলে আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, জামিন আদেশ জারির পর আসামিকে মুক্তি পেতে ক্লিয়ারেন্সের জন্য প্রথমে ডিসি প্রসিকিউশন, বিভাগীয় পুলিশ কার্যালয়, গোয়েন্দা বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট থানা হয়ে আবার কারাগারে পাঠানো হয়। এই সুযোগে এসব অদৃশ্য ক্লিয়ারেন্স ঘিরে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, অনেক ক্ষেত্রে অসাধু পুলিশ কর্মকর্তারা এ প্রক্রিয়াকে ব্যবহার করে কার্যত জিম্মি করে অর্থ আদায় করছেন, বিশেষ করে রাজনৈতিক মামলার আসামিদের কাছ থেকে। অন্যদিকে, জুলাই আন্দোলনে সহিংসতায় জড়িত ছিলেন—এমন আসামিদের অন্তর্বর্তী প্রতিবেদনের মাধ্যমে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।
জামিন পেলেও মিলছে না কারামুক্তি
অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, জামিন পেলেও সহজে আসামিদের মুক্তি মিলছে না। কারামুক্তির জন্য তৈরি হয়েছে ‘পুলিশের পাঁচ স্তরের ক্লিয়ারেন্স’ প্রক্রিয়া। প্রথমে আদালতের জামিন আদেশ ডিএমপির ডিসি প্রসিকিউশন হয়ে কারাগারে পৌঁছায়। এরপর সেটি যায় বিভাগীয় পুলিশের কার্যালয়ে, সেখান থেকে সংশ্লিষ্ট থানায়। সবশেষে আবার কারাগারে ফিরে আসে নিশ্চিতকরণের জন্য। এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার প্রতিটি স্তরেই ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, “একেকটি ধাপ পার হতে আলাদা করে ‘ম্যানেজ’ করতে হয়। না হলে পরবর্তী সময়ে অন্য মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়, যার ফলে আসামি কারামুক্ত হতে পারেন না।”
জিম্মি করে অর্থ আদায়ের অভিযোগ
অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে, কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তা ও দালালচক্র এই ‘ক্লিয়ারেন্স প্রক্রিয়া’কে ব্যবহার করে অর্থ আদায় করছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক মামলার আসামিদের ক্ষেত্রে এই প্রবণতা বেশি। অভিযোগ রয়েছে, এসব ক্লিয়ারেন্সের জন্য নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়।
ঢাকা জজকোর্টের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি গণমাধ্যমকে বলেন, রাজনৈতিক মামলায় কাউকে আটক করার পর জামিন পেলেও সরাসরি কারামুক্তি পাওয়া খুব সহজ নয়। থানাকে ম্যানেজ না করতে পারলে কেউ বের হতে পারেন না। তা না হলে নতুন করে অন্য মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। কখনো একই থানায়, আবার কখনো পাশের থানায় মামলা দেওয়া হয়, যাতে মুক্তি আটকে যায়। তিনি বলেন, “আমি যাদের দেখেছি, তারা প্রায় সবাই এভাবে ম্যানেজ করেই বের হয়েছেন।”
তিনি আরও বলেন, পুরো প্রক্রিয়া এমনভাবে চলে যে জামিন পাওয়ার পর আসামির স্বজনরা কারাগারের গেটে গিয়ে জানতে পারেন, আরেকটি মামলায় তার শ্যোন অ্যারেস্ট রয়েছে। তখন আবার শুরু হয় নতুন দৌড়ঝাঁপ।
কেস স্টাডি
রাজধানীর শাহজাহানপুর থানার একটি বৈষম্যবিরোধী মামলায় গ্রেফতার হওয়া এক মাংস ব্যবসায়ী আদালত থেকে জামিন পান। কিন্তু জামিন পেলেও তিনি কারাগার থেকে বের হতে পারেননি। স্বজনরা কারাগারে গেলে জানতে পারেন, তাকে অন্য মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে। এভাবে কয়েকটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
পরবর্তী সময়ে তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে সংশ্লিষ্ট থানাকে ম্যানেজ করে কারামুক্ত হন। তিনি বলেন, “আমাকে ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে গ্রেফতার করা হয়। পরে জামিন পাওয়ার পরও অন্য মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এভাবে তিনটি মামলায় আমাকে আটক রাখা হয়। পরে থানা ম্যানেজ করে মুক্তি পাই।”
আইনসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, পুরো প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও জবাবদিহির আওতায় না আনলে এ অনিয়ম বন্ধ হবে না। আদালতের আদেশ বাস্তবায়নে নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ এবং ডিজিটাল ট্র্যাকিং সিস্টেম চালুর পরামর্শ দিয়েছেন তারা। জামিন একটি সাংবিধানিক ও আইনি অধিকার। কিন্তু সেই অধিকার যদি প্রশাসনিক স্তরে ‘বাণিজ্যে’ পরিণত হয়, তাহলে তা শুধু ব্যক্তির নয়—পুরো বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট করে।
অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন ঘিরে ‘বাণিজ্য’
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বিরোধিতা করেননি—এমন বহু নিরপরাধ ব্যক্তিকে আসামি করার অভিযোগ রয়েছে। একশ্রেণির কুচক্রী ও কিছু আইনজীবী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ব্যক্তিগত ও অর্থনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য মামলায় তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
এ কারণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিরপরাধ ব্যক্তিদের হয়রানি বন্ধে ফৌজদারি কার্যবিধিতে ধারা ১৭৩(ক) সংযোজন করেছে। এর উদ্দেশ্য হলো তদন্তাধীন মামলাগুলো পর্যালোচনা করে নিরপরাধ ব্যক্তিদের বাদ দেওয়া।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ‘অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন’ ঘিরেও বাণিজ্য হচ্ছে। এই ধারার সুযোগ নিয়ে নিরপরাধদের পাশাপাশি সরাসরি বা পরোক্ষভাবে জড়িত তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের পদধারী আসামিদের অব্যাহতির সুপারিশ করেছেন তদন্ত কর্মকর্তারা। অভিযোগ রয়েছে, এসব সুপারিশের পেছনেও অর্থ লেনদেন হয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের মুখপাত্র এনএম নাসিরুদ্দিন বলেন, আদালত থেকে জামিন হওয়ার পর কারামুক্তির ক্ষেত্রে পুলিশের কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কি না—এটি আমাদের কাছেও প্রশ্নের বিষয়। তবে এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আলাদা কোনো ক্লিয়ারেন্স নেওয়ার নিয়ম নেই। আদালতের আদেশ অনুযায়ীই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি মুক্তি পাবেন—এটাই প্রচলিত প্রক্রিয়া।
অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন বিষয়ে তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি পদধারী হলেই তাকে ভিন্নভাবে দেখা হয় না। মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ততা আছে কি না, সেটির ভিত্তিতেই তদন্ত কর্মকর্তা রিপোর্ট দেন। এ ধরনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈদ উপলক্ষে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির তারিখ নির্ধারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৪ই মে, ২০২৬ ইং

০৮:৫৩ পি.এম


ঈদ উপলক্ষে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির তারিখ নির্ধারণ

ঈদুল আজহা উপলক্ষে ট্রেনযাত্রীদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করার জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে আগাম টিকিট বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা স্বস্তিদায়ক করার লক্ষ্যে ১৩ মে থেকে অনলাইনে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে। এবং ঈদের পর ফিরতি যাত্রার অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে ২১ মে থেকে।

১৩ মে বিক্রি হবে ২৩ মের টিকিট। তার পরবর্তী দিন, ১৪ মে, ২৪ মের টিকিট পাওয়া যাবে। ১৫ মে পাওয়া যাবে ২৫ মের টিকিট। একইভাবে, ১৬ মে ২৬ মের টিকিট পাওয়া যাবে। এরপর ২৭ মে পাওয়া যাবে ১৭ মের টিকিট।

ফিরতি টিকিট ২১ মে থেকে পাওয়া যাবে। ওই দিন ৩১ মের টিকিট পাওয়া যাবে। ২২ মে পাবেন ১ জুনের টিকিট। ২৩ মে বিক্রি হবে ২ জুনের টিকিট। ২৪ মে মিলবে ৩ জুনের টিকিট। অবশেষে ২৫ মে পাওয়া যাবে ৪ জুনের টিকিট।

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, একজন যাত্রী উল্লিখিত ঈদ অগ্রিম যাত্রা ও ফেরত যাত্রার ক্ষেত্রে সর্বাধিক একবার করে টিকিট ক্রয় করতে পারবেন এবং প্রতি ক্ষেত্রে সর্বাধিক চারটি টিকিট ক্রয় করতে পারবেন।

ঈদ অগ্রিম ও ফেরত যাত্রার টিকিট রিফান্ড করা যাবে না। যাত্রী সাধারণের অনুরোধে যাত্রার দিন মোট আসনের (উচ্চ শ্রেণি ব্যতীত) ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট স্টেশন কাউন্টার থেকে বিক্রি করা হবে।

ঈদের ফেরত যাত্রার টিকিট উল্লিখিত তারিখ অনুযায়ী যথারীতি সকাল ৮ ঘটিকা থেকে ইস্যু করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধুপুরের আউশনারা ইউনিয়নে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

সোমবার, ৪ই মে, ২০২৬ ইং

০৮:৫৪ পি.এম


মধুপুরের আউশনারা ইউনিয়নে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইলের মধুপুরে মাদক, চাঁদাবাজি, দখলবাজী, ইভটিজিং, সন্ত্রাসী কার্যক্রম, কিশোর গ্যাং, বাল্যবিবাহ, অপরাধ প্রতিরোধ বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত মতবিনিময় সভায় মাদক নির্মূল, জননিরাপত্তা জোরদার এবং সামাজিক অপরাধ দমনে বিট পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও সক্রিয় করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
সোমবার (৪ মে) বিকেলে মধুপুর উপজেলার আউশনারা ইউনিয়নের মোটেরবাজারে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন মধুপুর থানা পুলিশ।
"বিট পুলিশকে তথ্য দিন, নিরাপদে কাটবে দিন" এই প্রতিপাদ্যে ১১ নং বিটের আয়োজনে আউশনারা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও মোটের বাজার শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি আজহারুল ইসলাম আজাহার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ এ কে এম ফজলুল হক। এসময় তিনি মাদক, চাঁদাবাজি, দখলবাজী, ইভটিজিং, সন্ত্রাসী কার্যক্রম, কিশোর গ্যাং, বাল্যবিবাহ, অপরাধ প্রতিরোধ বিষয়ে আলোচনা করেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন আউশনারা ইউনিয়নের দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রশাসক উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ উজ্জল বৈরাগী, আউশনারা ইউনিয়নের দায়িত্ব প্রাপ্ত বিট কর্মকর্তা এসআই সোহেল, সহকারী বিট কর্মকর্তা এ এস আই নাজিম উদ্দীন, আউশনারা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম বাচ্চু, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আঃ করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন কাজল, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক মেহেদী হাসান আকাশ, আনিসুর রহমান, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ থানা পুলিশের সদস্য গন । অনুষ্ঠানে আউশনারা ইউনিয়নের সকল ইউপি সদস্য সহ দুই শতাধিক নারী পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন যুবদলের নেতা নজরুল ইসলাম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৩০শে জ্বিলকদ, ১৪৪৭হিঃ
ফজর ০৩:৫২
জোহর ১১:৫৬
আসর ০৪:৩৩
মাগরিব ০৬:৩৪
ইশা ০৭:৫৩
সূর্যোদয় : ০৫:১৬ সূর্যাস্ত : ০৬:৩৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%