প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন যে, প্রাথমিক শিক্ষা বিস্তার করতে বর্তমানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৫টি প্রকল্প কার্যকরীভাবে চলমান রয়েছে। এর পাশাপাশি, পিইডিপি-৫ সহ আরও ১৩টি প্রকল্প সবুজ পাতায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
তিনি আজ সংসদে রংপুর-৩ আসনের বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য মো. মাহবুবুর রহমান (বেলাল)-এর টেবিলে উত্থাপিত তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্যটি জানান।
মন্ত্রী আরও জানান, চলমান প্রকল্পগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে— চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪), যা জুলাই ২০১৮ থেকে জুন ২০২৬ সাল পর্যন্ত চলমান; চাহিদা ভিত্তিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উন্নয়ন প্রকল্প (প্রথম পর্যায়), যা জুলাই ২০১৬ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত কার্যকরী; ঢাকা মহানগরী ও পূর্বাচলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন, অবকাঠামো উন্নয়ন ও দৃষ্টিনন্দনকরণ প্রকল্প, যা জানুয়ারি ২০২০ থেকে জুন ২০২৭ পর্যন্ত চলছে।
এছাড়া কক্সবাজার, বান্দরবান জেলা এবং নোয়াখালীর ভাসানচরে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প, যা জুলাই ২০২৪ থেকে জুন ২০২৭ সাল পর্যন্ত চলমান; এবং ১৫০টি উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং প্রকল্প, যা জানুয়ারি ২০২৫ থেকে ডিসেম্বর ২০২৭ সাল পর্যন্ত চলমান রয়েছে।
তিনি আরও জানিয়েছেন যে, গণশিক্ষা কার্যক্রম বিস্তারের আওতায় কার্যকর সাক্ষরতা ও ব্যবহারিক কর্মদক্ষতা প্রশিক্ষণ (প্রাক-বৃত্তিমূলক পর্যায়) কোর্স এবং বিদ্যালয় বহির্ভূত শিশুদের জন্য বিকল্প শিক্ষা কার্যক্রম ‘অলটারনেটিভ লার্নিং অপরচুনিটি ফর আউট অফ স্কুল চিলড্রেন (এএলও)’ চালু রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, এসব প্রকল্পগুলি প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষার আওতায় আনতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন