প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
১২ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নকআউট পর্বে ফিরে এসে একটি বড় ধরনের বিপাকের সম্মুখীন হয়েছিল জার্মানি। বিবর্ণ পারফরম্যান্স এবং ছন্দহীন ফুটবলের খেসারত হিসেবে, প্রথমার্ধের শেষলগ্নে জার্মানদের গোল হজম করতে হয়েছিল। তবে বিরতির পর জার্মানরা ঘুরে দাঁড়িয়ে, ম্যাচে সমতা ফেরাতে সক্ষম হয় এবং উত্তেজনাপূর্ণ লড়াইটিকে অতিরিক্ত সময়ে নিয়ে যায়। সম্যকভাবে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলায়, কোনো দলই আর ব্যবধান বাড়াতে পারেনি এবং তাই চলতি বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো কোনো ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে চলে যায়।
ম্যাচের ৪২তম মিনিটে, জার্মানির রক্ষণভাগকে স্তব্ধ করে দেওয়ার মাধ্যমে জুলিও এনকিসো একটি দুর্দান্ত কাজ করেন। প্যারাগুয়ের এই ফরোয়ার্ডের নিখুঁত নিচু হেডে বলটি জালে যাওয়া নিশ্চিত ছিল এবং কিংবদন্তি গোলরক্ষক ম্যানুয়েল ন্যয়ারের জন্য সেটি কোনো কিছু করার সুযোগ ছিল না। এই গোলের মাধ্যমে প্যারাগুয়ে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে গিয়েছিল।
ম্যাচের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রথমার্ধে জার্মানি ৭৮ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রেখেছিল, কিন্তু তারা আক্রমণভাগে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। পুরো অর্ধে তারা চারটি শট নেওয়ার পরও একটিও লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি। অন্যদিকে, প্যারাগুয়ে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটে জুনিয়র আলোনসো, জার্মান কিপার ন্যয়ারের দক্ষতার পরীক্ষা নেন, যা ম্যাচটিকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তোলে। মোট মিলিয়ে, প্রথমার্ধে প্যারাগুয়ে তিনটি শট এনে দুইটিতে লক্ষ্যভেদ করার সুযোগ তৈরি করেছিল, যার একটি থেকে তারা একটি মূল্যবান গোলও পেয়েছিল।
দ্বিতীয়ার্ধে জার্মানি তাদের খেলায় গতি বাড়াতে শুরু করে এবং আক্রমণের ধারটা বাড়ানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। রক্ষা কৌশলে থাকা প্যারাগুয়ে, শেষ পর্যন্ত নিজেদের জাল অক্ষত রাখতে ব্যর্থ হয়। গোল শোধের পর, জার্মানি জয়ের জন্য মরিয়া হলেও প্যারাগুয়ের রক্ষণ দেয়াল ভাঙার মতো অবস্থায় পৌঁছাতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত, দুই দলকে ড্র নিয়েই মাঠ ছেড়ে যেতে হয়। এখন, নকআউটের এই স্নায়ুচাপের লড়াইয়ে অতিরিক্ত সময়ে, কোন দল শেষ হাসি হাসে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন