প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফুটবল মাঠে যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে, সেটা প্রায় দুই দশক ধরে আলোচনায় রয়েছে। একজন লিওনেল মেসি অন্যজন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তবে এই মাঠের লড়াইয়ের বাইরের ব্যাপারে, দুই মহাতারকার পরিবারকে কেন্দ্র করে একটি ভিন্ন সৌহার্দ্যের গল্প সামনে এসেছে। আলোচনায় উপস্থিত হয়েছেন মেসির স্ত্রী আন্তোনেল্লা রোকুজ্জু এবং রোনালদোর সঙ্গী জর্জিনা রদ্রিগেজ।
সম্প্রতি জর্জিনা রদ্রিগেজ আন্তোনেল্লা রোকুজ্জুর কাছে নিজের নতুন ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘মিমোয়া’র পোশাক উপহার হিসেবে পাঠিয়েছেন। আন্তোনেল্লা এই উপহারের ছবি নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে দ্রুত প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি জর্জিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে লেখেন, "অনেক ধন্যবাদ, জর্জিনা রদ্রিগেজ। সবকিছুই দারুণ সুন্দর। তোমার নতুন উদ্যোগের জন্য অনেক শুভকামনা।"
আন্তোনেল্লার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসারীর সংখ্যা সাড়ে চার কোটিরও বেশি। তাই তার একটি পোস্টটি বিশ্বজুড়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে এই ঘটনাটিকে শুধু একটি উপহার বিনিময় হিসেবে দেখছেন না, বরং এটি মেসি ও রোনালদোর দুই পরিবারের আন্তরিক সম্পর্কের আরেকটি ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবেও বিবেচনা করছেন।
আন্তোনেল্লা ও মেসির সম্পর্কের ইতিহাস দীর্ঘ। দুজনেরই জন্ম আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে। আর জর্জিনা রদ্রিগেজের জন্ম বুয়েনেস এইরেসে। ব্যক্তিগত জীবনে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের প্রমাণ খুব বেশি চোখে পড়ে না, তবে বিরূপ সম্পর্কের কোনও তথ্য নেই। বরং সাম্প্রতিক সময়ের এই শুভেচ্ছা বিনিময় দুটি পরিবারের মধ্যে ইতিবাচক সম্পর্কের ইঙ্গিত করছে।
জর্জিনা তার নতুন ব্র্যান্ড ‘মিমোয়া’র প্রচারণা শুরু করেছেন বিশ্বকাপের এক ম্যাচে, যেখানে তিনি পরতেন এমন একটি জার্সি, যার পেছনে ব্র্যান্ডটির নাম লেখা ছিল। ‘মিমোয়া’ মূলত নারীদের জন্য আরামদায়ক এবং বহুমুখী পোশাক তৈরির উদ্যোগ নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে।
এদিকে মাঠের লড়াইয়ে পর্তুগালের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়েছে শেষ ষোলোতেই। এর মাধ্যমে রোনালদোর বিশ্বকাপ অধ্যায়ও শেষ হয়েছে। অন্যদিকে চলমান আসরের এই মুহূর্তটিকে মেসিরও শেষ বিশ্বকাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ফলে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক মেসি-রোনালদো প্রতিদ্বন্দ্বিতা শেষ হওয়ার পথে।
তবে ফুটবল অধ্যায় শেষ হলেও দুই কিংবদন্তির সম্পর্ক নতুন রূপ নিতে পারে বলে অনেক সমর্থক মনে করছেন। ভবিষ্যতে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নয়, সামাজিক, বাণিজ্যিক বা মানবিক উদ্যোগে তাদের একসাথে দেখা গেলে এটি খুব একটা অপ্রত্যাশিত হবে না। দুই পরিবারের সাম্প্রতিক এই সৌহার্দ্যপূর্ণ ঘটনা এটাই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন