প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ওষুধ শিল্পের রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠানের জন্য বিভিন্ন শুল্ক ও কর সুবিধার পাশাপাশি, রপ্তানির ক্ষেত্রে বিশেষ প্রণোদনা প্রদান করা হবে, এ কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় তিনি বলেন, সরকার বিশ্বাস করে যে, ওষুধ শিল্পের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় চিকিৎসা সরঞ্জাম শিল্প বাংলাদেশের নতুন রপ্তানিমুখী প্রবৃদ্ধির খাতে পরিণত হবে। স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন টেস্টিং ও সার্টিফিকেশন ল্যাব স্থাপনসহ অনলাইন লাইসেন্সিং ব্যবস্থা চালু করা হবে। বিশেষায়িত মেডিকেল টেকনোলজি পার্ক প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি স্বল্পসুদে অর্থায়ন সুবিধাও নিশ্চিত করা হবে। এ ছাড়া, বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষা, গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দেবে।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরও জানান, দেশের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং আমদানি নির্ভরতা হ্রাসের লক্ষ্যে সরকার চিকিৎসা সরঞ্জাম ও মেডিকেল ডিভাইস শিল্পকে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শিল্প খাত হিসেবে উন্নয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে অধিকাংশ চিকিৎসা সরঞ্জাম বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। এর ফলে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হচ্ছে। অথচ দেশে সিরিঞ্জ, ব্লাড প্রেসার মেশিন, অক্সিমিটার, মেডিকেল ল্যাবের বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি, ভেন্টিলেটর, এক্স-রে মেশিন, ইসিজি মেশিন, হাসপাতাল বেড, ডায়াগনস্টিক কিট ও অন্যান্য চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন