ঢাকা শনিবার, ১৬ই মে, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ৩০শে জ্বিলকদ, ১৪৪৭হিজরী
শনিবার, ১৬ই মে, ২০২৬ইং ০২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩বাং

আম খেলে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়, আসলেই কি তাই?


আম খেলে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়, আসলেই কি তাই?

আম একটি জনপ্রিয় ফল, যা প্রায় সবার পছন্দের তালিকায় রয়েছে। বাংলাদেশে, আমকে ফলের রাজা বলা হয়। তবে ফলটি নিয়ে কিছু প্রচলিত ধারণা রয়েছে, যেগুলো সত্য কি না—তা নিয়ে অনেকেরই পরিষ্কার ধারণা নেই।

গরম পড়তে শুরু করলেই আম বাজারে আসতে শুরু করে এবং দ্রুত খাদ্য তালিকায় ও আড্ডার আলোচনায় স্থান করে নেয়। সকালের নাস্তা থেকে রাতের খাবার—আম সব সময়ই আকর্ষণীয়। কিন্তু প্রতি মৌসুমে বড়দের কাছ থেকে শোনা যায় একটিই সতর্কতা—বেশি আম খেলে নাকি শরীর গরম হয়ে যায়।

কিন্তু এই ধারণার পেছনে কতটা সত্যতা আছে, সেটি নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। প্রচলিত ধারণায় বিভিন্ন খাবারকে গরম বা ঠান্ডা হিসেবে ভাগ করা হয়। কিন্তু আধুনিক পুষ্টিবিদ্যার মতে, খাবারকে এইভাবে ভাগ করার চেয়ে তার উপাদান ও পুষ্টিগুণের ভিত্তিতে বিচার করা বেশি যুক্তিযুক্ত।

আরও পড়ুন: ব্রিকসে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির অবিশ্বাস ব্রাজিলের

আমকে সাধারণত উষ্ণ প্রকৃতির ফল বলা হয়, কিন্তু বৈজ্ঞানিকভাবে এটি সরাসরি শরীরের তাপমাত্রা বাড়ায়—এমন কোনো প্রমাণ নেই। আমে থাকা প্রাকৃতিক চিনি ও ম্যাঙ্গিফেরিনের মতো কিছু উপাদান, হজমের সময় সামান্য তাপ উৎপন্ন করতে পারে। ফলে আম খাওয়ার পর কিছুটা উষ্ণ অনুভূতি হতে পারে, তবে তা শরীরের মূল তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয় না। এই অনুভূতি মূলত বিপাকক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত এবং ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে।

এদিকে, পরিমাণের বিষয়টিও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। একটি আম খাওয়ার বিষয়টি এবং একসঙ্গে কয়েকটি আম খাওয়ার বিষয়টি এক নয়। অতিরিক্ত আম খেলে শরীরে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। যেমন—পেট ফাঁপা, ডায়রিয়া অথবা পেটে অস্বস্তি, কারণ এতে ফাইবার ও ফ্রুক্টোজের পরিমাণ বেশি।

অতিরিক্ত আম খাওয়ার ফলে হজমের সমস্যা ছাড়াও রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে, যা বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। কেউ কেউ ত্বকে ব্রণ বা ঠোঁটের চারপাশে জ্বালাপোড়া অনুভব করতে পারেন। অধিক পরিমাণে আম খেলে ক্যালোরি বেশি হওয়ায় ওজন বাড়ানোর সম্ভাবনাও রয়েছে।

আর একটি কম পরিচিত বিষয় হলো, আমের খোসার কাছাকাছি যে আঠালো রস থাকে, তার মধ্যে ইউরুশিওলজাতীয় উপাদান বিদ্যমান থাকে, যা কারও কারও ক্ষেত্রে ঠোঁটে চুলকানি বা জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করতে পারে।

আরও পড়ুন: জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার মা-রা গেছেন

গরমকালে আম খেলে শরীর গরম লাগার পেছনে শুধুমাত্র আম দায়ী নয়। তীব্র গরমে হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায় এবং শরীরে পানিশূন্যতার সৃষ্টি হয়। এর সঙ্গে অতিরিক্ত মিষ্টি ফল খেলে শরীর ভারী বা অস্বস্তিকর লাগতে পারে।

সব মিলিয়ে, আম খেলে শরীর গরম হয়ে যায়—এমন ধারণা পুরোপুরি সঠিক নয়। বরং অতিরিক্ত খাওয়া, হজমের সমস্যা এবং গরমের প্রভাব মিলেই এই অনুভূতি তৈরি হয়। তাই পরিমিত পরিমাণে আম খাওয়া সবচেয়ে ভালো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় তেহরানকে রোমের বার্তা, পরমাণু কর্মসূচিকে ‘রেড লাইন’ আখ্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৩ই মে, ২০২৬ ইং

০৪:৫৩ এম


মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় তেহরানকে রোমের বার্তা, পরমাণু কর্মসূচিকে ‘রেড লাইন’ আখ্যা

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং চলমান সংঘাত নিয়ে ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি টেলিফোনে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে তাজানি জানিয়েছেন, আলোচনায় তারা ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি এবং সামগ্রিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যের সংকটময় অবস্থা পর্যালোচনা করেছেন। পাশাপাশি তারা সংঘাত যেন আরও ছড়িয়ে না পড়ে, সে বিষয়ে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের ওপরও জোর দিয়েছেন।

ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিশেষভাবে এই অঞ্চলে পুনরায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌ চলাচল স্বাভাবিক করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি সতর্ক করে বলেন যে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে বাধার সৃষ্টি হলে খাদ্যনিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তিনি উল্লেখ করেন, এর প্রভাব বিশেষ করে আফ্রিকায় মারাত্মকভাবে অনুভব হবে। তাজানি স্পষ্টভাবে তেহরানকে জানিয়েছেন যে, সামরিক উদ্দেশ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির উন্নয়ন ইতালির কাছে একটি ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমা হিসেবে বিবেচিত। এই কারণে অঞ্চলটিতে বিপজ্জনক পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সংকটের সমাধানে তিনি ইরানকে তাদের প্রভাব কাজে লাগিয়ে হিজবুল্লাহর হামলা বন্ধ করতে এবং আলোচনার মাধ্যমে লেবাননে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। আলোচনার শেষ পর্যায়ে তাজানি আবারও পুনর্ব্যক্ত করেন যে, ইতালি সব অংশীদারের সঙ্গে সংলাপের পথ খোলা রেখে মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ও বিশ্বশান্তি বজায় রাখার প্রতিটি আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টায় দৃঢ়ভাবে সমর্থন দিয়ে যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃষকের ১০ হাজার একর জমির আধপাকা ধান পুড়ে গেল ইটভাটায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৩ই মে, ২০২৬ ইং

০৪:৫৬ এম


কৃষকের ১০ হাজার একর জমির আধপাকা ধান পুড়ে গেল ইটভাটায়

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কয়েকটি ইটভাটার বিষাক্ত গ্যাসের কারণে প্রায় ১০ হাজার একর জমির আধপাকা ধান পুড়ে গেছে। এ বছর অন্তত ৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর স্থানীয় কৃষকেরা লিখিত অভিযোগ করেছেন। তাদের দাবি, ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে ইটভাটা বন্ধ করতে হবে।

এদিকে, ক্ষতিপূরণের বিষয়টি প্রণোদনার মাধ্যমে কৃষকদের পুষিয়ে দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তারা। পাশাপাশি তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চাইছেন উপজেলা প্রশাসন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সোনালি ধানের জমির চারপাশে অসংখ্য ইটভাটা রয়েছে। এসব ভাটার কারণে প্রতিবছর পুড়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে কৃষকের সোনালি স্বপ্ন। এবারও প্রায় ১০ হাজার একর জমির আধপাকা ধান পুড়ে গেছে। ভাটার আগুনে পুড়েছে কৃষকের কপাল।

সূত্র জানায়, প্রতি বছর কমবেশি ক্ষতি হলেও এ বছর ইটভাটার বিষাক্ত গ্যাসে ক্ষতির পরিমাণটা যেন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের কোট বহুরিয়া, বহুরিয়া চড়পাড়া, বুধিরপাড়া, মন্দিরাপাড়া, সরিষাদাইড় ও ভাওড়া এইসব এলাকাগুলোতে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই অভিজাত মহল ফসলি জমির বুকে ইটভাটা স্থাপন করেছে। এফবিসি, আরইউবি, সান, হাদি এবং এনএসটি ব্রিকসসহ পাশাপাশি জায়গায় ১৪টি ইটভাটা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কৃষকরা ফসল দেখে আশায় বুক বেঁধেছিল। কিন্তু একত্রে পাঁচটি ভাটা একসঙ্গে বিষাক্ত গ্যাস ছেড়ে দেয়। এতে নিমিষেই কৃষকদের স্বপ্ন যেন পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। কৃষকদের দাবি, ফসলি জমি থেকে মাটি কেনার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে বিষাক্ত গ্যাস ছেড়েছে ইটভাটা কর্তৃপক্ষ।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা বলেন, প্রতি বছরই ধানের কম বেশি ক্ষতি হয়। তবে এ বছর ক্ষতির পরিমাণ ভয়াবহ আকারে রূপ নিয়েছে। বিস্তীর্ণ এলাকার প্রায় ১০ হাজার একর জমির ধান পুড়ে চিটা হয়ে গেছে। তাদের চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বারবার ভাটা মালিকদের অভিযোগ করা হলেও এর কোনো সমাধান তারা পাননি। সম্প্রতি কয়েকটি ইটভাটার বিরুদ্ধে ১০ হাজার একর জমির ধান পুড়ে যাওয়ার লিখিত অভিযোগ করেছেন উপজেলা প্রশাসনের কাছে। দ্রুত ক্ষতিপূরণসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার চান মওয়া শিকদার বলেন, ‘প্রতিবছর এভাবে গ্যাস ছেড়ে ধানের ক্ষতি করা হয়। এ বছর অন্তত ৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

ভাটার মালিক আব্দুল জব্বার ও কদম আলী ক্ষতির কথা স্বীকার করে বলেছেন, ‘এই ইটভাটাগুলোর অনুমোদন না থাকলেও আদালতে রিটের মাধ্যমে ভাটা চালানো হচ্ছে। ইটভাটার কারণে ধানের ক্ষতি হচ্ছে।’

ফসলি জমির পাশে ইটভাটা তৈরির প্রত্যয়ন দেয়া হয়নি, কেউ যদি দিয়ে থাকে তা অনুচিত। কৃষকদের তালিকা করা হচ্ছে। ক্ষতি পুষিয়ে দিতে প্রণোদনার আশা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন দিয়েছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খান সালমান হাবিব জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ইতোমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আমরা জলদস্যুদের মতো কাজ করি’, ট্রাম্পের স্বীকারোক্তিকে অকাট্য দলিল বলছে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৩ই মে, ২০২৬ ইং

০৫:০৬ এম


‘আমরা জলদস্যুদের মতো কাজ করি’, ট্রাম্পের স্বীকারোক্তিকে অকাট্য দলিল বলছে ইরান

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই অভিযোগ করেছেন যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেআইনিভাবে ইরানি জাহাজ জব্দ করার বিষয়টিকে প্রকাশ্যে ‘জলদস্যুতা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং এই প্রসঙ্গে তারা যে ‘জলদস্যুদের মতো আচরণ করেন’ এই বিষয়টিতে নির্লজ্জভাবে দম্ভোক্তি করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে বাঘাই উল্লেখ করেন, এটি কোনো সাধারণ অনিচ্ছাকৃত ভুল বক্তব্য নয়, বরং এটি আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের একটি সরাসরি এবং জোরালো স্বীকারোক্তি।

এই মুখপাত্র আরও বলেন, ওয়াশিংটন যে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে, এই মন্তব্য তারই একটি অকাট্য দালিলিক প্রমাণ। এই পরিস্থিতিতে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র এবং সংস্থাটির মহাসচিবকে এ ধরনের প্রকাশ্য আইন লঙ্ঘনের বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ না করে বরং তা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক নৌ-সীমানায় স্থিতিশীলতা রক্ষায় এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ওপর তিনি জোর দেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইরানি বন্দর ঘিরে চলমান অবরোধ পরিস্থিতিতে মার্কিন নৌবাহিনী ‘জলদস্যুর মতো’ কাজ করছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফ্লোরিডায় এক সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি একটি সামরিক অভিযানের বর্ণনা দিতে গিয়ে এ মন্তব্য করেন।

ট্রাম্প বলেন, আমরা জাহাজের ওপর নেমে পড়ি এবং সেটি দখলে নিই। আমরা কার্গো নিয়েছি, তেল নিয়েছি—এটি খুবই লাভজনক ব্যবসা। এই সময় সমর্থকদের উল্লাস করতে দেখা যায়। এর মধ্যেই তিনি আরও যোগ করেন, তবে আমরা কোনো খেলা খেলছি না; অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে এটি করছি।

তার এই মন্তব্য এমন একসময়ে এসেছে, যখন ইরান অবরোধ ও সামুদ্রিক পদক্ষেপ নিয়ে আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। বিশেষ করে বৈশ্বিক তেল-গ্যাস পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি নিয়ে। এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে তাদের আশঙ্কা।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান এই প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজগুলোর ওপর ফি আরোপের পরিকল্পনা করছে, যা আন্তর্জাতিক নৌ-আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। ইতোমধ্যে তেহরান কার্যত এই জলপথটি বন্ধ করে দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যৌথভাবে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। তাৎক্ষণিকভাবে ইরানও পাল্টা হামলা শুরু করে। জবাবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনায় ভয়াবহ হামলা চালায় ইরানি বাহিনী। এতে গোটা মধ্যপ্রাচ্য অগ্নিগর্ভে পরিণত হয়। সেই সঙ্গে বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। এতে গোটা বিশ্বে জ্বালানি অস্থিরতা দেখা দেয়।

এরপর টানা ৩৯ দিন যুদ্ধ পরে দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। এই যুদ্ধবিরতি গত ৮ এপ্রিল থেকে কার্যকর হয়। পরে ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনায় বসে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু ওই আলোচনা ব্যর্থ হয়। সাময়িক ওই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হলে একরকম একক সিদ্ধান্তে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর ফলে দুইপক্ষ আলোচনার টেবিলে না বসে কথার লড়াই অব্যাহত রেখেছে। অন্যদিকে, মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান ওয়াশিংটন ও তেহরানকে ফের আলোচনায় বসাতে জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণভোটের রায় ও ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের দাবিতে গণমিছিল করেছে ১১ দল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৩ই মে, ২০২৬ ইং

০৫:২০ এম


গণভোটের রায় ও ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের দাবিতে গণমিছিল করেছে ১১ দল

গণভোটের রায় ও ‘জুলাই সনদ’ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে নোয়াখালীতে গণমিছিল ও সমাবেশ আয়োজন করেছে ১১ দলীয় জোট।

শনিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে জেলা মডেল মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পৌরবাজারে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও নোয়াখালী জেলা আমির ইসহাক খন্দকারের সভাপতিত্বে এবং জেলা সেক্রেটারি মাওলানা বোরহান উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয় সমাবেশ।

সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ নোয়াখালী জেলা উত্তরের সভাপতি মাওলানা ইউসুফ মাদানী, লেবার পার্টির জেলা সভাপতি জহিরুল হক, এনসিপির জেলা সদস্য সচিব কাজী মাইনুদ্দিন তানভীর, খেলাফত মজলিশ দক্ষিণের সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম এবং ইসলামী ছাত্রশিবির নোয়াখালী শহর সেক্রেটারি বোরহান উদ্দিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, সরকার গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে শুরু থেকেই ন্যক্কারজনক কাজ করেছে। ৭০ শতাংশ মানুষের প্রদত্ত রায়কে উপেক্ষা ও অবজ্ঞা করেছে।

তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে ১৮০ দিনের মধ্যে সকল সংস্কার প্রস্তাব, বিশেষ করে সাংবিধানিক সংস্কারের বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করার কথা। সরকারি দল সেই প্রতিশ্রুতি দিলেও জনগণের মতকে উপেক্ষা করে তারা সংবিধান সংস্কারের শপথ নেয়নি।

এখন সরকার গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে তালবাহানা করছে।

বক্তারা আরো বলেন, গণভোটের রায় ও ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে সরকারের গড়িমসি চলছে। এসব দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৩০শে জ্বিলকদ, ১৪৪৭হিঃ
ফজর ০৩:৫২
জোহর ১১:৫৬
আসর ০৪:৩৩
মাগরিব ০৬:৩৪
ইশা ০৭:৫৩
সূর্যোদয় : ০৫:১৬ সূর্যাস্ত : ০৬:৩৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%