প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় আটটি আরব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইসরায়েলি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, তুরস্ক, সৌদি আরব এবং মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা একত্রে এই নিন্দা জানান।
তারা বলেছেন, স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, বেসামরিক অবকাঠামো ও সাধারণ মানুষের ওপর হামলাকে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হচ্ছে এবং এটি যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে হুমকির মুখে ফেলছে।
এক যৌথ বিবৃতিতে মন্ত্রীরা দাবি করেন যে, এই অব্যাহত হামলা গাজা সংঘাত অবসানের ‘সামগ্রিক পরিকল্পনার’ দ্বিতীয় পর্যায় বাস্তবায়নের আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন যে, ফিলিস্তিনি পক্ষগুলো এই রোডম্যাপের মধ্যে অস্ত্র সীমিত রাখার বিধান মেনে নিয়েছে।
মন্ত্রীরা আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা, চিকিৎসা কেন্দ্র ও মানবিক সহায়তা কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সমগ্র গাজায় অবিলম্বে ও অবাধে মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করার আইনগত বাধ্যবাধকতা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।
তারা যোগ করেন, গাজার পরিস্থিতিকে অধিকৃত পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের হামলা, বসতি সম্প্রসারণ এবং অধিকৃত জেরুজালেমে একতরফা পদক্ষেপ থেকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখা যায় না। কারণ এসব কর্মকাণ্ড ‘দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান’-এর সম্ভাবনাকে ক্ষুণ্ণ করে।
মন্ত্রীরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি, বিশেষ করে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানান যেন তারা ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলতে বাধ্য করার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে। তারা পাশাপাশি গুরুতর লঙ্ঘনের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা করতে যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা দেয়ারও অনুরোধ জানান।
অন্যদিকে আরব দেশের প্রতিনিধিরা অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি সার্বভৌমত্ব চাপিয়ে দেওয়া অথবা ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার যেকোনো প্রচেষ্টাও প্রত্যাখ্যান করেন। তারা পুনর্ব্যক্ত করেন যে, ১৯৬৭ সালের সীমানার ওপর ভিত্তি করে এবং ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে পূর্ব জেরুজালেমকে অন্তর্ভুক্ত করে ‘দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান’-এর মাধ্যমেই কেবল একটি ন্যায্য ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তি অর্জন সম্ভব।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন