প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নতুন বেতন ও শ্রেণিবিভাগ পদ্ধতির আওতায় কেন্দ্রীয় চুক্তির জন্য নির্বাচিত ক্রিকেটারদের তালিকা প্রকাশের বিষয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি। সাধারণত প্রতি অর্থবছরের জুন থেকে জুলাই পর্যন্ত চুক্তির মেয়াদ থাকায় আগস্টের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই কেন্দ্রীয় চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড়দের তালিকা প্রকাশ করে থাকে পিসিবি।
তবে নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড়দের নাম জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে কি না, সে বিষয়ে বোর্ড এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। সূত্রটির মতে, পিসিবি নতুন চুক্তিতে আসা ক্রিকেটারদের নাম ঘোষণা করতে চাইছে না। তারা এটিকে বোর্ডের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) মুলতানে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হওয়ার সময় পাকিস্তানের ওয়ানডে অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদিকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, এ ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না। পিসিবি আগেই নিশ্চিত করেছিল, তারা ২০২৬-২০২৭ সালের জন্য ফরম্যাটভিত্তিক কেন্দ্রীয় চুক্তি চালু করবে। কেবল সেইসব পুরুষ খেলোয়াড়ই চুক্তির জন্য বিবেচিত হবেন যারা গত ১২ মাসে চারটি টেস্ট ম্যাচ, ছয়টি ওয়ানডে অথবা সমসংখ্যক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন।
সূত্রটি আরও জানায়, ফরম্যাট অনুযায়ী শ্রেণিভুক্ত করার নতুন কাঠামোটির কারণে বোর্ড খেলোয়াড়দের নির্দিষ্ট শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করতে গিয়ে কিছুটা হিমশিম খাচ্ছে। গত সপ্তাহে একটি সরকারি সংস্থা বোর্ডের হিসাব-নিকাশ সংক্রান্ত যাবতীয় আর্থিক ও অন্যান্য তথ্য চেয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে পিসিবি ইসলামাবাদ হাইকোর্ট থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একটি স্থগিতাদেশ লাভ করেছে।
দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভির সভাপতিত্বে পিসিবির বর্তমান প্রশাসন তাদের আর্থিক বিষয়গুলোর ব্যাপারে অস্বাভাবিক গোপনীয়তা বজায় রেখে চলেছে। ২০২৩ সাল থেকে বোর্ডের কোনো নিরীক্ষিত হিসাব বিবরণী (অডিট রিপোর্ট) তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়নি। অথচ অতীতে এটি ছিল পরিচালনা পর্ষদের একটি স্বাভাবিক চর্চা। উল্টো নিজেদের সুবিধাজনক আর্থিক তথ্য শেয়ার করেছে পিসিবি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন