প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মরক্কো সীমান্তসংলগ্ন স্পেনের ছিটমহল সিউটায় ব্যাপকভাবে অবৈধ অভিবাসীদের অনুপ্রবেশ বেড়ে যাওয়ায় পুরো ইউরোপজুড়ে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। যদি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা না যায়, তাহলে স্পেনের সঙ্গে উন্মুক্ত সীমান্তসংক্রান্ত ‘সেনজেন চুক্তি’ স্থগিত করার কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি প্রদান করেছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি।
মেলোনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে জানান, অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসন ইউরোপের সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য একটি বড় হুমকি। এই বিষয়ে তিনি দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন।
বুধবার (২৯ জুলাই) থেকে হাজার হাজার অভিবাসী সমুদ্রপথে সিউটায় প্রবেশের কারণে স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। সেউতার আঞ্চলিক প্রেসিডেন্ট হুয়ান জেসুস ভিভাস এই পরিস্থিতিকে একটি চরম মানবিক ও সামাজিক জরুরি অবস্থার অভিব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং মাদ্রিদের কেন্দ্রীয় সরকারকে দ্রুত হস্তক্ষেপের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
স্পেনের সর্বোচ্চ আদালত সমুদ্রপথে আসা অভিবাসীদের তাৎক্ষণিক ফেরত পাঠানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় সানচেজ সরকারের হাতে সমস্যার সমাধানে আরো বাধা পড়েছে। এই পরিস্থিতির ফলে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতিও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে; কারণ স্পেনের প্রধান বিরোধী দল ‘পিপলস পার্টি’ এবং ডানপন্থী ‘ভক্স পার্টি’ প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের ব্যাপক সমালোচনা করছে।
জার্মানির অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি (এএফডি) দলের সহ-সভাপতি অ্যালিস ভাইডেল এই পরিস্থিতিকে ২০১৫ সালের ইউরোপীয় অভিবাসন সংকটের সঙ্গে তুলনা করেছেন এবং দ্রুত সীমান্ত বন্ধ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, সেনজেন হলো এমন একটি চুক্তি যার মাধ্যমে ইউরোপের ২৯টি দেশ নিজেদের মধ্যে মুক্ত সীমান্ত ব্যবস্থা চালু করেছে। সিউটা ও সংলগ্ন মেলিলা হলো পুরো আফ্রিকা মহাদেশের সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একমাত্র সরাসরি স্থল সীমান্ত। এর আগে ২০২১ সালে মরক্কো থেকে ৮ হাজারের বেশি মানুষ এখানে একযোগে প্রবেশ করলে সীমান্ত উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল, আর বর্তমানে পরিস্থিতি ২১ সালের পর সবচেয়ে গুরুতর রূপ ধারণ করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন