প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
১৬ জুন, ২০২৬, বাগেরহাটের চিতলমারীতে থানা পুলিশের একদিনের একাধিক অভিযানে মোট ১১ জনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে, এর মধ্যে মাদক ব্যবসায়ী, পরোয়ানাভুক্ত ও সাজাপ্রাপ্ত আসামী রয়েছে। পুলিশের এই অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে মাদকদ্রব্য, পাশাপাশি একটি নিখোঁজ মানসিক প্রতিবন্ধীকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পৃথক অভিযানের মাধ্যমে দ্রুত বিচার মামলা নং-৪৬/২৬-এর পরোয়ানাভুক্ত চার আসামী হাবিবুল্লাহ কাজী, সেলিম মল্লিক, সোহেল কাজী ও দ্বীন ইসলাম মল্লিককে তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া, খাসেরহাট বাজার থেকে জিআর নং-৩৭/২৩ মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী প্রণয় পান্ডেকে আটক করেছে পুলিশ।
মাদকবিরোধী অভিযানে চিতলমারী থানার ০৫ নম্বর মামলার আসামী বাঁধন মৃধাকে ৭৫ গ্রাম গাঁজা এবং ০৭ নম্বর মামলার আসামী ইমন শেখকে ১৭ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
একই দিনে, উপজেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্টে অপরাধ স্বীকার করায় ইব্রাহীম শেখ, নয়ন ও রুহুল আমিন শেখের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
এদিকে, পুলিশের একটি মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে মোল্লাহাট থেকে নিখোঁজ হওয়া শেখ সাদী নামের একজন মানসিক প্রতিবন্ধীকে উদ্ধার করে তার বাবা মাহাতাব শেখের জিম্মায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
অভিযানটিতে সক্রিয় অংশ নেন এসআই এএসএম সাকিব নিয়াজ, এসআই লিটন কুমার বিশ্বাস, এসআই সুজয় কুমার মল্লিক, এসআই আব্দুস সালাম, এএসআই মো. জাহাঙ্গীর আলম, এএসআই মো. মহিদুল ইসলাম শেখ এবং এএসআই সজল কুমার রায়।
চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বেগম রোকেয়া জানিয়েছেন, অপরাধী যেই হোক তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। চিতলমারীকে মাদক ও অপরাধমুক্ত করতে অসংখ্য অভিযানের মাধ্যমে জোরদার করা হবে। গ্রেপ্তারকৃত ১০ আসামিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে বাগেরহাট আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন