প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় সংসদের সভায় বক্তব্য দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, "সংসদ হুটহাট করে কথা বলার জায়গা নয়।" এখানে বক্তব্য প্রকাশ করতে হলে নির্দিষ্ট নিয়ম ও সময় পালন করা বাধ্যতামূলক।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের অষ্টম দিনের বৈঠকে পয়েন্ট অব অর্ডার নিয়ে আলোচনা চলাকালীন তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে, রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান এবং রংপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল আমীন পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে কথা বলার পর স্পিকার তাদের উদ্দেশ্যে বলেন।
স্পিকার বলেন, "সংসদ চলে কার্যপ্রণালী বিধি ও সংবিধানের ভিত্তিতে। এখানে ৩৫০ জন সদস্যেরই সমান অধিকার রয়েছে। তবে সংসদের কার্যক্রম পরিচালিত হয় নির্দিষ্ট আইন-কানুন ও বিধির আওতায়।"
তিনি পয়েন্ট অব অর্ডার তোলার সঠিক সময় সম্পর্কে উল্লেখ করেন যে, প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ হওয়ার পরই এ বিষয়ে আলোচনা করা যেতে পারে। বাজেট অধিবেশন চলাকালে সাধারণত পয়েন্ট অব অর্ডার কম গ্রহণ করা হয়, কারণ এই সময় গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা চলে।
স্পিকার আরও বলেন, "যখন ইচ্ছা দাঁড়িয়ে বক্তব্য দেওয়া সংসদীয় রীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। যেকোনো বিষয়ে আলোচনা করতে হলে বিধি অনুযায়ী নোটিশ দেওয়া আবশ্যক।"
সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমানের তোলা একটি প্রসঙ্গের জবাবে তিনি বলেন, "মুজিবুর রহমান দেখেছেন আমি মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান প্রদর্শন করেছি, যা তার কাছে সংসদীয় রীতির পরিপন্থী মনে হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তিনি পয়েন্ট অব অর্ডার তুলেছেন।"
অন্যদিকে, সদস্য মো. নুরুল আমীনের পয়েন্ট অব অর্ডারের বিষয়ে স্পিকার মন্তব্য করেন, "আমি আপনার সেন্টিমেন্টের প্রশংসা করি। আপনি শিক্ষক এবং বেতন না পাওয়া পৌর কর্মচারীদের দুঃখ-দুর্দশার কথা বলেছেন। কিন্তু সবকিছুর একটি নির্দিষ্ট সময় আছে। সংসদ মুখোমুখি চালানো যায় না।"
স্পিকার সদস্যদের স্মরণ করিয়ে দেন যে, পয়েন্ট অব অর্ডার কেবল চলমান বিষয়ের ওপর ভিত্তি করেই হওয়া উচিত এবং সংসদীয় রীতিনীতি বজায় রাখা প্রত্যেক সদস্যের দায়িত্ব।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন