প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপের এই সুযোগ পেলেও ১৯৩০ ও ১৯৩৮ সালে জাপান তাদের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছিল। পরে ১৯৫০ সালে ফিফা থেকে এই দলটিকে বহিষ্কার করা হয়।
এরপর বিশ্বকাপে অংশ নিতে জাপানকে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। অবশেষে ১৯৯৮ সালে তারা প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে যায় এবং গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেয়, যা এশিয়ার একটি শক্তিশালী দলের জন্য একটি বড় ব্যাপার। এবার তারা তাদের অষ্টম বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাচ্ছে। তাদের সেরা সাফল্য হচ্ছে ২০০২, ২০১০, ২০১৮ ও ২০২২ সালে আসরে শেষ ষোলোয় খেলা।
এখন তারা মূল মঞ্চে চমক দেখানোর অপেক্ষায় রয়েছে।
জাপানের কোচ হচ্ছেন হাজিমে মোরিয়াসু এবং অধিনায়ক ওয়াতারু এন্দো।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে জাপানের সেরা সাফল্য হচ্ছে শেষ ১৬-তে পৌঁছানো। সর্বশেষ তারা এই পর্যায়ে খেলেছিল। তাদের বিশ্বকাপে প্রথম অংশগ্রহণ ছিল ১৯৯৮ সালে, এবং এ পর্যন্ত অংশগ্রহণ করেছে ৮ বার। জাপান এর ফিফা র্যাংকিং ১৮।
‘এফ’ গ্রুপে জাপানের প্রতিপক্ষ থাকবে নেদারল্যান্ডস, সুইডেন ও তিউনিসিয়া।
গ্রুপ এফ এর সময়সূচি:
১৫ জুন: নেদারল্যান্ডস বনাম জাপান, টেক্সাস, রাত ২টা।
২০ জুন: নেদারল্যান্ডস বনাম সুইডেন, টেক্সাস, রাত ১১টা।
২৬ জুন: তিউনিসিয়া বনাম নেদারল্যান্ডস, মিসৌরি, ভোর ৫টা।
জাপানের বিশ্বকাপ স্কোয়াড:
গোলরক্ষক: জিওন সুজুকি, তোমোকি হায়াকাওয়া, কেইসুকে ওসাকো।
ডিফেন্ডার: ইউতো নাগাতোমো, শোগো তানিগুছি, কো ইতাকুরা, সুয়োশি ওয়াতানাবে, তাকেহিরো তোমিয়াসু, হিরোকি ইতো, আয়ুমু সেকো, ইউকিনারি সুগাওয়ারা, জুনোসকে সুজুকি।
মিডফিল্ডার-ফরোয়ার্ড: ওয়াতারু ইন্দো, জুনিয়া ইতো, দাইছি কামাদা, কোকি ওগাওয়া, দাইজেন মায়েদা, রিতসু দোয়ান, আয়াসে উয়েদা, আও তানাকা, কেইতো নাকামুরা, কাইশু সানো, তাকেফুসা কুবো, ইউইতো সুজুকি, কেনতো শোইগাই, কেইসুকে গোতো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন