প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজশাহীর তানোরে, বোরো ধান উত্তোলনের পর পরই কৃষকেরা আষাঢ়ের পানিতে আমন ধান চাষে হাত দিয়েছেন। এবারও আষাঢ়ের শেষ সপ্তাহের দিকে প্রচুর বৃষ্টির পানির জন্য শুরু হয়েছে আমন রোপণের হিড়িক। কৃষকরা এখন আমন ধান চাষের জন্য জমিতে কোমর বেঁধে নেমেছে। সম্প্রতি, আষাঢ়ের শুরুতে কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা না পেলেও, শেষ সপ্তাহের দিকে আকাশের পানিতে মাঠজুড়ে থইথই করছে। ফলে কৃষকেরা ব্যাপক স্বস্তিতে দলবেঁধে আমন ধান চাষের জন্য হাল চাষে অংশ নিচ্ছেন।
তানোর উপজেলার বিভিন্ন মাঠে গেলে দেখা যায়, আকাশের ধারাবাহিক বৃষ্টিতে কৃষকরা ভোর থেকে জমিতে ট্র্যাক্টর ও গরুর লাঙ্গল দিয়ে হালচাষের কাজে রত রয়েছেন। কয়েকজন কৃষকের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, আষাঢ় মাসে আমন ধান চাষের জন্য ডিপ বা মটরের পানির তেমন প্রয়োজন হয় না। আকাশের বৃষ্টিতেই যথেষ্ট হয়। বিভিন্ন আবাদের তুলনায় আমন ধান চাষের খরচও কৃষকদের জন্য অনেক কম থাকে, তাই তারা আমন চাষে বেশি ঝুঁকি নিতে পারেন।
তানোর পৌর এলাকার চাপড়া গ্রামের কৃষক বাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, রুপা আমন ধান চাষে খরচ অন্যান্য আবাদের তুলনায় অনেক কম হয়। তিনি জানালেন, রোপা আমন ধান চাষ মূলত আকাশের বৃষ্টির পানির ওপর নির্ভর করে। তবে গত বছর আষাঢ় মাস পার হয়ে গেলেও সময়মত বৃষ্টির অভাবে আমন ধান চাষে অনেক বিঘ্ন ঘটেছিল। কিন্তু এবারে আষাঢ়ের প্রথম থেকে বৃষ্টির অভাব থাকলেও আল্লাহর রহমতে শেষ সপ্তাহে বৃষ্টির দেখা মিলেছে।
কৃষকেরা এখন জমির চাষে জোরেশোরে আগাচ্ছেন। আশা করা হচ্ছে যে সপ্তাহের মধ্যেই প্রায় সব জমি রোপণ শেষ হবে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রের খবর, চলতি মৌসুমের জন্য আমনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২২ হাজার হেক্টর জমি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ জানিয়েছেন, এই আবাদের মাধ্যমে কৃষকেরা অল্প খরচে অধিক লাভবান হয়ে থাকেন। যদি কোনো প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হয়, তাহলে আমনের ফলন প্রত্যাশার চেয়ে ভালো হতে পারে। তিনি জানান, কৃষকের আমন ধান চাষে রোগ-বালাই না হওয়ার লক্ষ্যে কৃষি অফিস মাঠ পর্যায়ে নিবির তদারকি করে যাচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন