প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা-১৪ আসনের এমপি ব্যারিস্টার আরমান বলেছেন, "আমি বুকে হাত দিয়ে গর্বের সঙ্গে বলি, আমার সবচেয়ে বড় পরিচয় আমি গুম ফেরত একজন ভিক্টিম।" তিনি উল্লেখ করেন, "যতদিন আল্লাহ আমাকে হায়াত দিয়েছেন এবং কথা বলার সুযোগ রেখেছেন, আমি এই পরিচয় দিয়ে যাব এবং ভুক্তভোগী হিসেবে গল্প বলে যাব। যেন আমাদের পরবর্তী কোনো প্রজন্মকে এই নির্মম ভাগ্যের মুখোমুখি হতে না হয়।"
শুক্রবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে গুমের শিকার স্বজনদের সংগঠন মায়ের ডাকের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল ডে ইন সাপোর্ট অব ভিক্টিমস অব টর্চারস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
ব্যারিস্টার আরমান বলেন, "এই বাংলার মাটিতে আমরা আর কোনো দিন কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তিকে আর ফিরে আসতে দেবো না। আমরা বলতে চাই, জান দেবো কিন্তু জুলাই দিবো না।"
ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাশেম বলেন, "আমরা এই কষ্ট বছরের পর বছর ধরে বয়ে বেড়াচ্ছি। এখন সময় এসেছে দৃশ্যমান কিছু করার। যারা প্রিয় মানুষকে হারিয়েছেন, আসমান-জমিনের কোনো ক্ষতিপূরণ দিয়ে সেই শূন্যতা পূরণ করা সম্ভব নয়। কিন্তু তারা যেন অর্থনৈতিকভাবে অন্যের মুখাপেক্ষী না হন, সেই দায়িত্ব রাষ্ট্রকে নিতে হবে।"
ফ্যাসিবাদের নির্মমতার ইতিহাস এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের পাঠশালা হিসেবে ‘জুলাই জাদুঘর’ প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, "এই জাদুঘর পরবর্তী প্রজন্মকে ফ্যাসিবাদের রূপ কেমন হয় তা শুরুর আগেই চিনতে শেখাবে। যদি কখনও দেশে আবারও এমন কালো অধ্যায়ের সূচনা হতে চায়, তবে তরুণ প্রজন্ম তা শুরুতেই রুখে দিতে পারবে।"
মীর আহমদ বিন কাশেম আরও বলেন, "ঢাকার বাইরে প্রত্যন্ত অঞ্চলে অনেক ভিক্টিম পরিবার চরম অর্থকষ্টে দিনাতিপাত করছেন, যাদের ঢাকায় এসে কথা বলার সামর্থ্যটুকুও নেই। অবিলম্বে তাদের টার্গেট করে এককালীন বা মাসিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা দেওয়ার জন্য তিনি সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাই।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন