১০:০৯ পি.এম
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ২৯৩টি আসনের মধ্যে ১৬৭ আসনে নিরঙ্কুশ জয় নিশ্চিত করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস মাত্র ৫৯টি আসনে জয় পেয়েছে।
মোট আসনের মধ্যে ১৪৮টি আসন বিজয়ী দলকে সরকার গঠন করতে সাহায্য করবে। ফলে স্বাধীনতার পর এই প্রথমবারের মতো রাজ্যে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিজেপি।
সোমবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে ভারতের নির্বাচন কমিশন এই তথ্য ঘোষণা করেছে।
আরও পড়ুন: জামায়াত ক্ষমতার প্রতিদ্বন্দ্বী হবে, এটা আগে কেউ মনে করতেন না: শফিকুর রহমান
গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল, দুই দফায় ভোটগ্রহণ হয় পশ্চিমবঙ্গে। নির্বাচনের সময় তৃণমূল কংগ্রেস জানিয়েছিল, তারা গত তিনবারের মতো এবারও বিপুল ব্যবধানে জয় পাবে। তবে ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পর দেখা যাচ্ছে, বিজেপিকেই বেশিরভাগ মানুষ ভোট দিয়েছেন।
এতে মমতার ১৫ বছরের শাসনের সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে। এদিকে নিজের আসন ভবানীপুরেও হেরেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সর্বশেষ ১৮তম রাউন্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের এই নেত্রী এই আসনে ভোট পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৭৮২।
অন্যদিকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ও বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৭৮৫ ভোট। মমতার চেয়ে ১১ হাজার ৩ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন তিনি।
শুভেন্দু নন্দীগ্রামে আরেকটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সেখানে তার বিরুদ্ধে বিজেপি থেকে পদত্যাগ করা পবিত্র করকে প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়েছিল তৃণমূল। কিন্তু এই কৌশল কার্যত ব্যর্থ হয়ে গেছে। কারণ শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তার ভোটের ব্যবধান ১০ হাজারের বেশি। যদিও নন্দীগ্রাম নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে, ‘নন্দীগ্রামে তৃণমূল জিতছে!’
আরও পড়ুন: ট্রাম্প-শি বৈঠক শেষে ধোঁয়াশা: কে কার কথা মানলেন, কী হলো পর্দার আড়ালে?
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে নন্দীগ্রামে লড়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর হারতে হয়েছিল। শেষ হাসি হাসেন শুভেন্দুই। প্রায় ১ হাজার ৯৫৬ ভোটে জয় ছিনিয়ে আনেন লোকসভার সাবেক এই সাংসদ।
সেই ফল নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলাও দায়ের হয়। পাঁচ বছর পরে আরও একটি বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা হলেও হাইকোর্টে সেই মামলার নিষ্পত্তি হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন