প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্থানীয় বাসিন্দারা জামালপুর সদর উপজেলার শরিফপুর বাজার এলাকায় জামালপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেছেন,
ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদ এবং স্বাভাবিক বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবিতে।
প্রায় দুই ঘণ্টা সড়ক অবরোধের পর আন্দোলনকারীরা আশ্বাস পেয়ে কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।
সোমবার (২৯ জুন) রাত ৮টার দিকে শরিফপুর বাজারসংলগ্ন মহাসড়কে কয়েক হাজার বিক্ষুব্ধ মানুষ গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ শুরু করেন। পরে রাত ১০টার দিকে অবরোধ তুলে নেওয়া হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত দুই মাস ধরে শরিফপুর ইউনিয়নে দিনে-রাতে মিলিয়ে মাত্র তিন থেকে চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।
দীর্ঘ লোডশেডিংয়ের কারণে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
বিদ্যুতের অভাবে বরফের সংকট দেখা দেওয়ায় মাছ ব্যবসায়ীরাও ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
শরিফপুর বাজারের ব্যবসায়ী রেজুয়ান আনসারী বলেন, সামনে এইচএসসি পরীক্ষা। কিন্তু বিদ্যুতের অভাবে শিক্ষার্থীরা ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছে না।
বারবার অভিযোগ জানিয়েও সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি।
তাই বাধ্য হয়ে তাঁরা সড়কে নেমেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা শাহিন মিয়া বলেন, রাতে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ থাকে না।
তীব্র গরমে শিশু ও বয়স্করা কষ্ট পাচ্ছেন।
তাঁরা কোনো সংঘাত চান না, কেবল নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ চান।
অবরোধের খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতারা ঘটনাস্থলে যান।
পরে সদর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মুখলেছুর রহমান হারুণ এবং শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ মাসুদ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন।
তারা স্থানীয় সংসদ সদস্য শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা রাত ১০টার দিকে অবরোধ প্রত্যাহার করেন।
জামালপুর সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এস এম নূর মোহাম্মদ বলেন, সড়ক অবরোধের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
পরে স্থানীয় নেতাদের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি শান্ত হয়।
অবরোধ তুলে নেওয়ার পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন