প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ির বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএলআরআই) আঞ্চলিক কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, সরকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেন, ক্ষুদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে প্রাণিসম্পদ খাতকে আরো কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আজ তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, নাইক্ষ্যংছড়ির বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএলআরআই) আঞ্চলিক কেন্দ্র পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন।
টুকু বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানে নাইক্ষ্যংছড়ির এই খামারটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এর বিশেষত্ব ছিল গয়াল সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে এসব প্রাণী বিতরণের ব্যবস্থা করা। বর্তমান সরকার সেই লক্ষ্যে কাজ করছে এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত করা হচ্ছে।
ছবি: বাসস
তিনি জানান, ইতোমধ্যে বিভিন্ন খামারির মধ্যে ছাগল ও ভেড়া বিতরণ করা হয়েছে। গবেষণার মাধ্যমে খামারিদের সহায়তা করার জন্য সরকারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এসব খামারে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত সময়ে খামারটির উন্নয়ন যথাযথ পরিচর্যা ও ব্যবস্থাপনার অভাবে পুরোপুরি করা সম্ভব হয়নি। বর্তমান সরকার এর সার্বিক উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
তিনি আরও বলেন, একজন প্রান্তিক মানুষ যদি কিছু ছাগল, ভেড়া, গরু কিংবা মুরগি পেয়ে সেগুলো বাড়ির আশপাশে লালন-পালন করতে পারেন, তাহলে তিনি উপার্জনের সক্ষমতা অর্জন করতে পারবেন এবং স্বাবলম্বী হয়ে উঠবেন। প্রান্তিক মানুষের আত্মনির্ভরশীলতা নিশ্চিত করাই সরকারের উদ্দেশ্য। এজন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী দিনে একটি সমৃদ্ধ এবং সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার জন্য সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী নাইক্ষ্যংছড়ি আঞ্চলিক কেন্দ্রের গয়াল শেড, হরিণ শেড এবং ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের শেড পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি গয়ালের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং অন্যান্য প্রাণীর সার্বিক সুবিধা নিশ্চিত করতে বিএলআরআই-এর কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।
পরে তিনি স্থানীয় খামারিদের মাঝে মুরগি, ছাগী, ছাগলের পাঠা, ভেড়া ও ভেড়ার পাঠা বিতরণ করেন।
এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. খালেদ কনক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, বিএলআরআই-এর মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক, মৎস্য অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পরিচালক ড. এবিএম মুস্তানুর রহমান, পরিচালক ড. জিল্লুর রহমান, কক্সবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাজমুল হুদা, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ খায়রুল বাশার, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় খামারিরা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন