প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা মশাল মিছিলে অংশ নেন। কুষ্টিয়ার এমপি আমির হামজার কটুক্তির প্রতিবাদে কুষ্টিয়া জেলা গণঅধিকার পরিষদ বিক্ষোভ মিছিল করে। এই শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিলে গণঅধিকার পরিষদের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়। নেতাকর্মীদের উপর হামলার প্রতিবাদে গণঅধিকার পরিষদ রাজধানী ঢাকায় তাৎক্ষণিকভাবে একটি মশাল মিছিল করে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত সাড়ে আটটায় গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে এই মশাল মিছিল শুরু হয়ে পল্টন ও প্রেসক্লাব ঘুরে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে গণঅধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন জানান, "কুষ্টিয়ার সংসদ সদস্য আমির হামজার কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে শহরে মানববন্ধনের আয়োজন করে গণঅধিকার পরিষদ। সেখানে জামাত শিবিরের লোকজন দেশীয় রামদা দিয়ে গণঅধিকার পরিষদের নেতা ও কর্মীদের উপর হামলা চালায়। এই হামলায় গণঅধিকার পরিষদের ৪০/৫০ জন নেতা কর্মী আহত হন। হামলার ফলে এক নেতার পায়ের গোড়ালি কেটে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। গণঅধিকার পরিষদ জামায়াতে ইসলামীর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিচার চায় এবং তাদের অবিলম্বে গ্রেফতার করার দাবি জানায়। জামায়াত শিবির যদি তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখে, তাহলে গণঅধিকার পরিষদের নেতা কর্মীরা তাদের প্রতিহত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এছাড়াও, আমির হামজার অশোভন বক্তব্য নিয়ে গণঅধিকার পরিষদ প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তিনি যোগ করেন, শেখ হাসিনা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে ভারতে পলাতক রয়েছেন। জামায়াতে ইসলামী যদি তাদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বন্ধ না করে, তাহলে তাদেরকেও পাকিস্তানে পালিয়ে যেতে হবে।
দলের মুখপাত্র আবু হানিফ বলেন, "কুষ্টিয়ায় গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিল করে। এ সময় আমির হামজার গাড়ি থেকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জামাতের সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়। হামলার কারণে নেতার পায়ের রগ কেটে যায়। জামাত শিবিরের রগ কাটার ইতিহাস অনেক পুরোনো। গণঅভ্যুত্থানের পর আজকের ঘটনা প্রমাণ করেছে জামাত শিবিরের রগকাটার ইতিহাস আবার ফিরে এসেছে। জামাতের কাছে আবেদন, হামলার সাথে জড়িত সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিক।
তিনি আরও বলেন, আমির হামজা পাগলের মত কথাবার্তা বলে, তার মত মানসিক ভাবে অসুস্থ একজন ব্যক্তি এমপি হতে পারে, এটা বোধগম্য নয়। জামাতের উচিত, আমির হামজাকে পাবনায় পাঠিয়ে মানসিক চিকিৎসা করানো।
এসময় মশাল মিছিলে বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য রবিউল হাসান, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি নাজমুল হাসান, যুব অধিকার পরিষদের সাবেক সভাপতি মনজুর মোর্শেদ মামুন, গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সদস্য ফাতেমা রেসাসহ অন্যান্যরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন