প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুষ্টিয়ায় সাপের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ার কারণে গত ২৪ ঘণ্টায় সাপে কামড়ানো ১৩ জনকে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরের পর থেকে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুর ১২টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সাপে কাটা ১৩ জন রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। ভর্তির মধ্যে ১০ জন পুরুষ এবং ৩ জন নারী রয়েছেন। হাসপাতালে ভর্তি হওয়াদের প্রায় সবাই পেশায় কৃষক।
আক্রান্তদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কেউ কৃষি কাজ করার সময়, কেউ পাট ধোয়ার সময় আবার কেউ বাড়ির আশপাশে অথবা নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে সাপের কামড়ের শিকার হয়েছেন। তবে, অধিকাংশই এরকম সাপের কোন প্রজাতির কথা নিশ্চিতভাবে বলতে পারেননি।
আহতদের মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর অবস্থায় রয়েছেন ভেড়ামারা উপজেলার কলেজপাড়া এলাকার বাসিন্দা হারুন। তিনি বিষধর রাসেলস ভাইপারের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পাশাপাশি, সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ি ইউনিয়নের কৃষক রহিবুল মাঠে কাজ করার সময় এবং কুমারখালীর চাপড়া ইউনিয়নের কৃষক শহিদুল ইসলাম পাট ধোয়ার সময় সাপের কামড় খান।
এছাড়া, কুমারখালীর বারখাদার মেহেরিনা এবং দৌলতপুরের হোসনেয়ারা বাড়ির পাশে সাপের আক্রমণের শিকার হন। দৌলতপুর উপজেলার জুবায়ের নামের এক যুবক মাগরিবের নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে সাপের কামড় খেয়েছেন।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের সহকারী রেজিস্ট্রার (মেডিসিন) ডা. মো. মাহফুজুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় সাপে কাটা ও বিষধর প্রাণীর আক্রমণে আহত ১৩ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের মধ্যে একজনকে অ্যান্টিভেনম প্রদান করা হয়েছে। হাসপাতালে বর্তমানে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী রোগীদের চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, সাপে কামড়ালে ওঝা বা ঝাড়ফুঁকের ওপর নির্ভর না করে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে। সময়মতো চিকিৎসা শুরুর মাধ্যমে রোগী সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন