প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামে মাটির নিচ থেকে সেনাবাহিনীর বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট ৯৬টি ল্যান্ডমাইন উদ্ধার করেছে। উদ্ধার হওয়া এসব ল্যান্ডমাইনগুলোর মধ্যে ৭৯টি মানববিধ্বংসী এবং ১৭টি ট্যাংকবিধ্বংসী।
সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে যশোর সেনানিবাস থেকে আসা সেনাবাহিনীর ১৯ সদস্যের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ধাপে ধাপে মাটি খনন করে উদ্ধার করা ৯৬টি ল্যান্ডমাইন।
পুলিশ এবং বিজিবি সূত্রে জানা যায়, বেতবাড়িয়া গ্রামের কৃষক কালু মালিথা গত শনিবার জমিতে কাজ করার সময় মাটির নিচে বিস্ফোরকসদৃশ একটি বস্তু দেখতে পান। বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশ এবং বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে জমিটি ঘিরে রাখে।
নিরাপত্তার স্বার্থে ওই এলাকায় দুই দিন ধরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। পরবর্তীতে যশোর সেনানিবাস থেকে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহিত ল্যান্ডমাইনগুলোর উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।
ধাপে ধাপে মাটি খনন করে একটির পর একটি ৯৬টি ল্যান্ডমাইন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরকগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সেনাবাহিনী সদস্যরা গ্রাম থেকে বেশ দূরে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান। সেখানেই নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরনের মাধ্যমে ল্যান্ডমাইনগুলো ধ্বংস করা হয়। অভিযানে সেনাবাহিনীর মেজর তরিকুল ইসলাম নেতৃত্ব দেন।
গাংনী থানার ওসি (তদন্ত) শিমুল কুমার দাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বিপুলসংখ্যক ল্যান্ডমাইন উদ্ধারের পর ঘটনাস্থল নিরাপত্তাবেষ্টনীর মধ্যে রাখা হয়েছে। আশপাশে আর কোনো বিস্ফোরক রয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী এলাকা পর্যবেক্ষণ করছে।
এদিকে, একসাথে এত বিপুলসংখ্যক ল্যান্ডমাইন উদ্ধার হওয়ার ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। এলাকাবাসীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে এসব বিস্ফোরক কিভাবে ওই জমিতে এলো এবং আশপাশে আরও মাইন রয়েছে কিনা। তাঁরা পুরো এলাকায় আরেকটি তল্লাশির দাবি জানিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন