প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশে হাম রোগ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিনই এই রোগ ও এর উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে একের পর এক শিশু প্রাণ হারাচ্ছে। সরকার টিকা কার্যক্রম জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়ার পরেও রোগটি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে হামের টিকা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে কঠোর বার্তা প্রদান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশেষভাবে টিকার কার্যক্রমের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে হামে আক্রান্ত হয়ে দেশজুড়ে পাচ শতাধিক শিশুর মৃত্যুর কথা উল্লেখ করে জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চান। তার এই প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, হামের প্রাদুর্ভাবের কারণ, বিস্তার এবং টিকাদান কার্যক্রমের ওপর বিভিন্ন নীতিগত ও পরিচালনাগত বিষয়ের প্রভাব নিয়মিতভাবে পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
তিনি এই প্রসঙ্গে স্পষ্ট করে বলেন, টিকা সংগ্রহ পদ্ধতির পরিবর্তনের ফলে টিকাদান কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কি না, তা প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত ও কারিগরি মূল্যায়নের ভিত্তিতে পর্যালোচনা করা হবে। যদি এই প্রক্রিয়ায় কারও অবহেলা প্রমাণিত হয় তাহলে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, ইপিআই কর্মসূচির আওতায় টিকা সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিতরণ কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মানদণ্ড এবং সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণে সম্পাদিত হয়ে থাকে। সরকার হামের প্রাদুর্ভাব রোধকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। টিকা সরবরাহ ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা ও মজুত ব্যবস্থাপনা জোরদার করতে চেষ্টা চলছে।
তারেক রহমান বলেন, রোগ নজরদারি কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং দ্রুত প্রাদুর্ভাব শনাক্তকরণ ও প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হয়েছে। পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় সুদৃঢ় করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশে হামের টিকাদানের আওতা বাড়ানো এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষার আওতার মধ্যে আনতে বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম সারাদেশে অব্যাহত রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন