প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ১১তম গ্রেড বাস্তবায়নসহ ৩ দফা দাবিতে নতুন ধারাবাহিক কর্মসূচির ঘোষণা করেছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের জন্য।
এ কর্মসূচিটি মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নীতিনির্ধারণী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম লিখিত প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. মোয়াজ্জেম হোসেন শাহীন এবং সাধারণ সম্পাদক খায়রুন নাহার লিপি স্বাগত বক্তব্য দেন।
শিক্ষকদের ঘোষিত ৩ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—
১. ১১তম গ্রেড বাস্তবায়ন : নবম জাতীয় বেতন স্কেলের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সহকারী শিক্ষকদের জন্য অবিলম্বে ১১তম গ্রেড প্রদান করা।
২. উচ্চতর গ্রেড ও শতভাগ পদোন্নতি : নবম পে স্কেল অনুযায়ী ৮ ও ১৪ বছর পূর্তিতে প্রাপ্য দুটি উচ্চতর গ্রেড নিশ্চিত করা এবং সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে শতভাগ পদোন্নতি চালুকরণ।
৩. হয়রানিমূলক বদলি ও মামলা প্রত্যাহার : সাধারণ সম্পাদক খায়রুন নাহার লিপিসহ সব শিক্ষকের হয়রানিমূলক বদলির আদেশ বাতিল এবং দায়েরকৃত ভিত্তিহীন বিভাগীয় মামলাগুলো অবিলম্বে প্রত্যাহার।
এদিকে উল্লিখিত দাবি আদায়ের লক্ষ্যে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। তা হলো—
১. সংবাদ সম্মেলন : আজ ২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা।
২. কালো ব্যাজ ধারণ ও দোয়া মাহফিল (৮ নভেম্বর, রবিবার) : সারা দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কালো ব্যাজ ধারণ করবেন। পাশাপাশি প্রয়াত শিক্ষক ফাতেমা আপার রুহের মাগফিরাত এবং গ্রেনেড হামলায় নিহত ও আহতদের স্মরণে কেন্দ্রীয় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
৩. জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি (৮ নভেম্বর, রবিবার) : একই দিনে দেশের প্রতিটি জেলায় শিক্ষক প্রতিনিধিদল জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দাবি সংবলিত স্মারকলিপি প্রদান করবেন।
৪. বিভাগীয় কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি (১৭ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার) : বিভাগীয় শিক্ষক প্রতিনিধিরা বিভাগীয় কমিশনারদের কাছে স্মারকলিপি পেশ করবেন।
৫. মহাসমাবেশ (ডিসেম্বর ২০২৬) : বার্ষিক পরীক্ষা শেষে দেশের সর্বস্তরের শিক্ষকদের অংশগ্রহণে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার বা শাহবাগে মহাসমাবেশ আয়োজন করা হবে (তারিখ পরবর্তীতে চূড়ান্ত হবে)।
৬. অবস্থান ও অনশন কর্মসূচি : এসব কর্মসূচির পরও দাবি আদায়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে জাতীয় প্রেস ক্লাব বা শাহবাগে এক দফা দাবিতে অবস্থান ও আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করবেন শিক্ষকরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন