প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কাতার প্রবাসী ও দর্শনার্থীদের জন্য রেসিডেন্সি এবং ভ্রমণ বিষয়ক নিয়মে বড় পরিবর্তন এনে দিয়েছে। দেশটির প্রবাসীরা রেসিডেন্সি পারমিট বা আকামা বাতিল হলে কাতারে অবস্থানের বৈধ সময়সীমা (গ্রেস পিরিয়ড) ৩০ দিন থেকে কমিয়ে মাত্র ১৪ দিন বা দুই সপ্তাহে নামিয়ে আনা হয়েছে।
কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগের আয়োজনে ‘নিরাপদ ভ্রমণ প্রক্রিয়া’ শীর্ষক এক ওয়েবিনারে নতুন এই নির্দেশনার ব্যাপারটি আলোচনা করা হয়।
এয়ারপোর্ট পাসপোর্ট ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন আলী আহমেদের একটি বক্তব্যের মাধ্যমে আল কুওয়ারি সংবাদমাধ্যম জানায়, পূর্বে রেসিডেন্সি পারমিট বাতিলের পর প্রবাসীরা ৩০ দিন পর্যন্ত কাতারে থাকার সুযোগ পেতেন। কিন্তু বর্তমানে এই সময়সীমা দুই সপ্তাহে কমানো হয়েছে।
নতুন নিয়মে, আকামা বাতিল হয়ে যাওয়ার পর নির্দিষ্ট ১৪ দিনের মধ্যে দেশ ত্যাগ না করলে প্রবাসীদের প্রতিদিন ১০ কাতারি রিয়াল করে বিলম্ব জরিমানা দিতে হবে।
এছাড়াও, কাতারে আসা দর্শনার্থীদের জন্য কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। ক্যাপ্টেন আল কুওয়ারি বলেছেন, ভিজিটর বা পর্যটকরা তাদের পাসপোর্টে থাকা ভিসা স্ট্যাম্পের মেয়াদ এবং অবস্থানের সময়সীমা সতর্কতার সাথে যাচাই করার আহ্বান জানান।
তিনি উল্লিখিত করেন, ভিজিট ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কাতারে অতিরিক্ত সময় অবস্থান করলে প্রতিদিন ২০০ কাতারি রিয়াল জরিমানা দিতে হবে।
ভ্রমণকালীন জটিলতা এড়াতে কাতার ছাড়ার আগে প্রবাসীদের ‘মেট্রাশ’ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে নিজেদের বর্তমান আইনি স্ট্যাটাস পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে যদি কোনো বকেয়া ট্রাফিক ফাইন, ওভারস্টে জরিমানা বা অন্য কোনো সরকারি পাওনা থাকে, তাহলে তা বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে পরিশোধ করা উচিত। অন্যথায় ভ্রমণ প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে।
এছাড়া প্রবাসীরা চাইলে মেট্রাশ অ্যাপের মাধ্যমে তাদের রেসিডেন্সি পারমিট নতুন পাসপোর্টে স্থানান্তর বা ট্রান্সফার করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।
বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া দ্রুত করার জন্য এবং যাত্রীদের দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষার ভোগান্তি কমানোর লক্ষ্যে হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ই-গেট বা ইলেকট্রনিক গেট ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সেখানে আগমন ও বহির্গমন টার্মিনাল মিলিয়ে মোট ৭৬টি ই-গেট চালু রয়েছে, যা যাত্রীরা সহজেই ব্যবহার করতে পারেন।
অন্যদিকে কাতারে জন্ম নেওয়া নবজাতকদের বিষয়েও আইনি প্রক্রিয়ার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। তিনি জানান, প্রবাসীদের নবজাতকের জন্মের পর পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষকে তা রিপোর্ট করতে হবে।
পরবর্তীতে, সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস থেকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহের পর, শিশুটির বাবার স্পন্সরশিপের অধীনে কাতারের রেসিডেন্সি পারমিট বা আকামা নিশ্চিত করতে হবে।
সূত্র: গালফ নিউজ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন