প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মোংলা বন্দরে ভারত থেকে সরকারি চুক্তির তৃতীয় প্যাকেজের চালের সর্বশেষ চালান এসে পৌঁছেছে। শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে ৫ হাজার ৭৩৬ দশমিক ৫০০ মেট্রিক টন চাল নিয়ে মোংলা বন্দরের বহির্নোঙরে এসে নোঙর করে ভিয়েতনামের পতাকাবাহী জাহাজ 'এমভি পু থান-৩৬'।
শনিবার (২৭ জুন) মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার বিভাগ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
মোংলা বন্দর এলাকার সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক আবদুস সোবাহান জানান, এটি আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ভারত থেকে মোংলা বন্দর দিয়ে আমদানি করা তৃতীয় প্যাকেজের চালের শেষ চালান। এই প্যাকেজের আওতায় সরকারের সঙ্গে মোট ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির চুক্তি হয়েছিল।
তিনি আরও জানান, শেষ চালানে আসা এই চালের গুণগত মান নিশ্চিত করতে আজ শনিবার (২৭ জুন) সকালে ভৌত পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে। ল্যাব টেস্ট ও ভৌত পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর আগামীকাল রোববার (২৮ জুন) বিকেল থেকে মোংলা বন্দরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চাল খালাস প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।
খাদ্য অধিদপ্তরের সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক খোলা দরপত্রের মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের চাল আমদানির যে চুক্তি হয়েছিল, তার অংশ হিসেবে চালের চালানগুলো পর্যায়ক্রমে মোংলা বন্দরে আসে। এখন পর্যন্ত মোট ১০টি জাহাজে করে চুক্তির সব চাল মোংলা বন্দরে এসে পৌঁছেছে। এগুলো খালাস করার পর নদীপথে অভ্যন্তরীণ নৌযান ও কার্গোর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন সরকারি খাদ্যগুদামে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের এই চাল আমদানির আনুষ্ঠানিক চুক্তি সম্পন্ন হয়। এরপর গত ২০ জানুয়ারি ভারত থেকে আমদানিকৃত চালের প্রথম চালান বাংলাদেশে এসেছিল। চুক্তি অনুযায়ী মোট চালের ৪০ শতাংশ খালাস করা হচ্ছে মোংলা বন্দরে এবং বাকি ৬০ শতাংশ চাল খালাস করা হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দরে। শেষ চালানের মাধ্যমে এই চুক্তির শতভাগ চাল আমদানি সফলভাবে সম্পন্ন হলো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন