প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চলমান বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম ও সিলেটের দুই হাজারের বেশি পরিবারকে ত্রাণসামগ্রী সরবরাহ করবে ঢাকায় অবস্থিত ফিলিস্তিন দূতাবাস। এই ত্রাণসামগ্রী প্যাকেটজাত করার কাজ চলমান রয়েছে দূতাবাসে, যা দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন হচ্ছে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত অরগানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশনের (ওয়াইসি) সদস্যভুক্ত ১৮টি মুসলিম দেশের দূতাবাসের সহযোগিতায় এই মানবিক উদ্যোগটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) দূতাবাসে সরেজমিনে দেখা যায়, স্বেচ্ছাসেবী ও দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মীরা ত্রাণ কার্যক্রমের জন্য প্যাকেট তৈরিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।
দূতাবাস সূত্রে জানানো হয়, বাংলাদেশে অধ্যয়নরত ফিলিস্তিনের শিক্ষার্থীরা এই উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করছে। শিক্ষার্থীরা অন্যদের সঙ্গে একত্রিত হয়ে এসব ত্রাণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রমে লিপ্ত থাকবে।
প্রতিটি ত্রাণ প্যাকেটে রয়েছে চাল, খেজুর, চিড়া, মুড়ি, চিনি, লবণ, বিশুদ্ধ খাবার পানি ও নুডলস। এই খাদ্যসামগ্রী এমনভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে যাতে দুর্গত মানুষ সহজে ও দ্রুত এগুলো গ্রহণ করতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রান্নার প্রয়োজনও হবে না।
ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসেফ এস ওয়াই রামাদান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ মানবিক। বাংলাদেশে মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়িয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ফিলিস্তিনকে সমর্থন দিয়ে এসেছে। তাই এ দুর্যোগে ফিলিস্তিনের বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক দায়িত্ব। এটি বাংলাদেশের প্রতি ফিলিস্তিনের ঋণের সামান্য অংশ হলেও শোধ করার একটি প্রচেষ্টা।’
ত্রাণ কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি জানান, ‘১৮টি মুসলিম দেশের দূতাবাসের সহায়তায় প্রায় ৪০ টন ত্রাণসামগ্রী সংগ্রহের আশা করা হচ্ছে। যদিও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ১১ লাখ মানুষের সবার কাছে সহায়তা পৌঁছানো সম্ভব নয়। তবে সরকার, সেনাবাহিনী, এনজিও এবং সাধারণ মানুষ সম্মিলিতভাবে এগিয়ে এলে আরো অনেক মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছানো সম্ভব হবে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন