প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান মন্তব্য করেছেন, সরকারি দপ্তর এবং সরকারের কোন উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় কোন সিন্ডিকেট থাকতে পারবে না।
তিনি বলেন, ‘আমরা (বিএনপি) ক্ষমতায় আছি, নিশ্চয় আমাদের নেতাকর্মীরা সুবিধা পাবেন। তবে, আমরা এমন সুবিধা দেব না, যা সরকারের বদনাম করে বেড়ায়। একজন চাঁদাবাজ যদি হাসপাতাল এসে চাঁদাবাজি করে, সেটা তার ব্যক্তিগত লাভ হতে পারে। কিন্তু তার জন্য সরকারের ওপরে যে কালিমা লিপ্ত হবে, সেই কালিমার দাগ সরকার নেবে না।’
মন্ত্রী শুক্রবার শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মিলনায়তনে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সম্প্রতি বরিশালে একজনকে জোর করে দলীয় পরিচয়ে চেক সাইন করতে নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু আমরা তা রাত পার হতে দেইনি। সেই ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘অপরাধী সে দলের (বিএনপি) যত বড় নেতা হোক না কেন, তার পরিচয় সে অপরাধী। কেউ যদি মনে করেন আওয়ামী লীগ লুটপাট করেছে, আর সেই খালি জায়গায় আপনি নিজেই বসে যাবেন, তাহলে আপনি ভুলের স্বর্গে বসবাস করছেন। এ রকম ভুল ধারণা আপনারা করবেন না। আমরা এমন কোন সুবিধা দলীয় নেতাকর্মীদের দেব না, যাতে করে দলের (বিএনপি) ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়। দলের বদনাম হবে এমন কোনো কাজ কোনো দলীয় নেতাকর্মীর কাছ থেকে মেনে নেয়া হবে না।’
শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উন্নয়ন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানান, ‘এই হাসপাতালটি ৫০ শয্যা বিশিষ্ট। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি, এই হাসপাতালের যেন শয্যা সংখ্যা বাড়ানো হয়। এ ছাড়া হাসপাতালে উন্নত স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে আমরা কিছু পরিকল্পনা নিচ্ছি। এই জনপদের মানুষের উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর।’
শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মিলনায়তনে আয়োজিত হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় আরও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন, পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশীষ বিন হাছান, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান। এছাড়াও শৈলকূপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রাশেদ আল মামুন উপস্থিত ছিলেন। সেই সময় উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা, কর্মচারী, স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন