প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের একটি পাহাড়ি এলাকায় দেশটির একটি সামরিক যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। দুর্ঘটনার পর বিমানটিতে আগুন ধরে যায় এবং ঘটনাস্থলে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়। দুর্ঘটনার আগে পাইলট সফলভাবে ইজেক্ট করতে সক্ষম হলেও তিনি সামান্য আহত হন।
কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে যে, বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার পর আশপাশের এলাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। তবে আগুনের কারণে ঠিক কতটুকু এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সে ব্যাপারে এখনও কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
মেরিন এয়ারক্রাফট গ্রুপ ১১ এবং থার্ড মেরিন এয়ারক্রাফট উইংয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার (১৩ জুন) দুপুর ১২টার দিকে এফ/এ-১৮ হর্নেট যুদ্ধবিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে। বিমানটি ক্যালিফোর্নিয়ার মেরিন কোর এয়ার স্টেশন মিরামারের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
বিবৃতিতে আরও বলা হয় যে, এটি নিয়মিত প্রশিক্ষণ চলাকালে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। পাইলট নিরাপদে ইজেক্ট করেন এবং স্থানীয় শেরিফের কর্মকর্তারা তাকে উদ্ধার করেন।
ন্যাচেস ফায়ার ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, রিমরক লেকের কাছে দুর্ঘটনার পর পাইলটকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর ইয়াকিমা কাউন্টি শেরিফ ডিপার্টমেন্টের একজন মাউন্টেন পাস ডেপুটি পাইলটের সাথে যোগাযোগ করেছেন।
ফায়ার ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, ধ্বংসাবশেষ থেকে সৃষ্ট দাবানল মোকাবিলায় তারা এবং ইউ.এস. ফরেস্ট সার্ভিস যৌথভাবে কাজ করছে।
ফায়ার ডিপার্টমেন্ট আরও জানিয়েছে যে বিমানের বিধ্বস্ত হওয়ার পর আগুন ধরে গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ইউএস ফরেস্ট সার্ভিসের সঙ্গে সমন্বয় করে অভিযান চালানো হচ্ছে।
মেরিন এয়ারক্রাফট গ্রুপ ১১ বলছে, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে। এটি শেষ হলে বিস্তারিত জানানো হবে। তদন্তের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে এই মুহূর্তে কিছু বিস্তারিত জানানো সম্ভব নয়।
দুর্ঘটনাস্থলটি ওকানোগান-ওয়েনাচি ন্যাশনাল ফরেস্টের অন্তর্ভুক্ত। এটি সিয়াটল থেকে প্রায় ১২৫ মাইল দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন