প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বিলুপ্তপ্রায় বিরল প্রজাতির একটি লজ্জাবতী বানর উদ্ধার করা হয়েছে।
এই বানরটি যখন লোকালয়ে আসে, তখন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার ফলে এটি উদ্ধার করা হয়। চিকিৎসার পর এটি বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) সন্ধ্যায় চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার সীমান্তবর্তী বৈদ্দেরখিল গ্রাম থেকে স্থানীয়রা বানরটি উদ্ধার করেন। বুধবার (৩ জুন) সকালে প্রাণীটিকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়।
জানা গেছে, পৌরসভার সীমান্তবর্তী বৈদ্দেরখিল গ্রামে প্রাণীটি দেখতে পেয়ে আবদুল মমিন নামের এক বাসিন্দা প্রথমে বানরটি আটক করেন। খবর পেয়ে চৌদ্দগ্রাম কুইক রেসপন্স টিমের লিডার আরাফাত হোসেন উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় বানরটি নিজেদের হেফাজতে নেন।
বুধবার সকালে বানরটিকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে হস্তান্তর করা হয়। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আবদুল্লাহ আল মামুন সাগর বলেন, ‘প্রাণিসম্পদ অফিসে বানরটির প্রয়োজনীয় শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বনাঞ্চল সংলগ্ন লোকালয়ে আসার পর প্রাণীটি কোনো কারণে বৈদ্যুতিক শক বা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছিল। তবে চিকিৎসার পর এটি এখন আশঙ্কামুক্ত।’
প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে সুস্থ অবস্থায় বানরটিকে পুনরায় উপজেলা প্রশাসনের নিকট ফিরিয়ে দেয়া হলে প্রশাসন বিলুপ্তপ্রায় এই বন্যপ্রাণীটিকে পরবর্তী সুরক্ষার জন্য উপজেলা বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করে।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. শাহীন আলম বলেন, ‘লজ্জাবতী বানরটি এখন সম্পূর্ণ সুস্থ ও স্বাভাবিক রয়েছে এবং বর্তমানে এটি বন বিভাগের নিরাপদ হেফাজতে আছে। ঊর্ধ্বতন বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা ও সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এটিকে দ্রুতই কোনো উপযুক্ত প্রাকৃতিক বনাঞ্চলে অবমুক্ত করা হবে।’
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ‘বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীটিকে উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিতের পর বন বিভাগের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে এবং বন্যপ্রাণী আইন অনুযায়ী তারা পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন