প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বান্দরবানে রবিবার ও সোমবার বৃষ্টিপাত না হওয়ায় জেলার নিম্নাঞ্চল ও সড়ক থেকে বন্যার পানি নিচে নেমে গেছে। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, পৌর এলাকার আর্মিপাড়া, ভরাখালী, ইসলামপুর, মেম্বারপাড়া, ক্যাচিংপাড়া, হাফেজঘোনা, বালাঘাটা ও কালাঘাটাসহ কয়েকটি নিম্নাঞ্চল থেকে পানি নিচে নেমে যাচ্ছে। তবে সেসব এলাকায় জমে থাকা কাঁদামাটি এলাকাবাসীরা নিজ নিজ উদ্যোগে সরাচ্ছে।
আশ্রয়কেন্দ্র ছাড়াও বন্যা কবলিত এলাকায় গিয়ে সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরীর নেতৃত্বে পৌর এলাকার সাড়ে ৮ হাজার বানভাসী মানুষের মধ্যে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও বিজিবি সহ বিভিন্ন সরকারি ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
শহরের হাফেজঘোনার বাসিন্দা মো. ফোরকান জানান, তার বসতঘরে ৬ ফুট পর্যন্ত পানি উঠে গেছে। ঘরের জিনিসপত্র প্রতিবেশীর বাসায় রাখার কারণে ২০২৩ সালের বন্যার তুলনায় এবারের ক্ষয়ক্ষতি অনেক কম হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, সোমবার সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীতে বিপদসীমার অনেকটা নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।
এদিকে বান্দরবান-কেরানিহাট সড়কে পাহাড়ি ঢল থেকে আসা পানি নেমে যাওয়ায় সোমবার সকাল থেকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে বান্দরবানের সাথে রুমা ও রোয়াংছড়ির সড়ক যোগাযোগ এখনও পুরোপুরি চালু হয়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন