প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মো. সোহেল মিয়া, যিনি টাইগার সোহেল নামেও পরিচিত, গত মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার জিনোদপুর থেকে গ্রেপ্তার করেন পুলিশ।
তার গ্রেপ্তারের খবর জানার পর ওই এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে নবীনগর থানায় একাধিক মামলার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় বিভিন্ন ব্যক্তিরা, যারা নাম প্রকাশ করতে চাননি, জানিয়েছেন যে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের এমপি এবাদুল করিম বুলবুলের সমর্থনে যুবলীগ নেতা সোহেলের উত্থান ঘটেছিল। এই সময় তার নির্বাচিত হওয়ার প্রক্রিয়া জিনোদপুর বাজার কমিটির সভাপতির পদে ছিল।
এক সময়, তিনি এলাকার ভেতরে মারামারি, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, মাদক, এবং নারী কেলেঙ্কারিসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। এরপর থেকে তিনি নিজেকে ‘টাইগার সোহেল’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া শুরু করেন। তার নামে এলাকায় মাদকের গডফাদার বলেও পরিচিতি ছিল।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি জিনোদপুর ইউনিয়ন যুবলীগের ‘সভাপতি’ প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন।
এদিকে, রাতে স্থানীয় বাসিন্দারা মুঠোফোনে কালের কণ্ঠকে জানান যে, মাদকসহ নানা অপরাধের গডফাদার হিসেবে খ্যাত টাইগার সোহেল পুনরায় গ্রেপ্তার হওয়ায় গোটা এলাকায় স্বস্তি বিরাজ করছে। এলাকাবাসীরা তার বিরুদ্ধে সকল ধরনের কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম চৌধুরী, রাতের সময় কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, মো. সোহেল মিয়া ওরফে টাইগার সোহেল একজন যুবলীগ নেতা এবং একটি চিহ্নিত অপরাধী। তার বিরুদ্ধে মারামারি, মাদক, চাঁদাবাজি, ডাকাতির মতো এমন নানা অপরাধের জন্য একাধিক মামলার অভিযোগ রয়েছে। তাকে বুধবার সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আদালতে পাঠানো হবে।
এর আগে, তিনি ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর স্থানীয় হাসান মিয়ার বাড়িতে ডাকাতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন