প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তানের রাজনীতিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ঘিরে একটি নতুন রহস্য ও আইনগত বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের সুস্পষ্ট নির্দেশ ছিল, তাকে একটি নামী বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। তবে সরকারি হাসপাতাল 'পিমস'-এ গভীর রাতে তাকে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে। এরপর আবার তাড়াহুড়ো করে তাকে আদিয়ালা কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে, তার স্বাস্থ্য ও চলমান আইনি লড়াই নতুন একটি মোড় নিয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে কারাবন্দী ৭৩ বছর বয়সী এই নেতার চোখের সমস্যা পুরোনো। সুপ্রিম কোর্ট তাকে 'শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে' নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল, কিন্তু সরকার সেখানে তাকে নেয়নি। পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানিয়েছেন, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি দল তার সব পরীক্ষা করে সম্পূর্ণ 'ফিট' বা সুস্থ ঘোষণা করেছেন। ঝুঁকি না থাকায় তাকে রাতেই কারাকক্ষে পাঠানো হয়।
কিন্তু ইমরান খানের বোন উজমা খান একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, দীর্ঘ নির্জন কারাবাস তার ভাইয়ের শরীরে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। চিকিৎসকদের সঙ্গে নিয়ে শিফা হাসপাতালে যাওয়ার কথা থাকলেও, হঠাৎ পুলিশ পাহারায় তাদের পিমসে নিয়ে যাওয়া হয়। কেন তাদের সেখানে নেওয়া হলো, তার সদুত্তর তারা পাননি।
পিটিআই নেতারা আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, নির্দিষ্ট সময়ে সুচিকিৎসা না দিলে আদালত অবমাননার মামলা করবেন। এখন, এই হাসপাতাল বিতর্ক ও মধ্যরাতের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ইমরান খানের ভবিষ্যৎ রাজনীতি ও আইনি পথকে ঠিক কোন দিকে নিয়ে যাবে, সেটাই দেখার বিষয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন