প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দক্ষিণ আফ্রিকার বৃহত্তম শহর জোহানেসবার্গের ক্লিভল্যান্ড এলাকায় ভয়াবহ বন্দুক হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আরও ৯ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৯ জুন) গভীর রাতে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা একটি আবাসিক বসতিতে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, একদল সশস্ত্র হামলাকারী একটি সাদা টয়োটা কোয়ান্টাম গাড়িতে এসে বসতির দুটি প্রবেশপথ দিয়ে ভেতরে ঢোকে। এরপর তারা একাধিক স্থানে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। হামলার পর দুর্বৃত্তরা একই গাড়িতে করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাত ১১টা ১০ মিনিটের দিকে গুলির ঘটনার খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। সেখানে আটজন পুরুষ ও তিনজন নারীকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজন পুরুষের মৃত্যু হলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২ জনে দাঁড়ায়।
গুলিবিদ্ধ অন্তত ৯ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, হামলার উদ্দেশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার পেছনের কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযানের কাজ চলমান রয়েছে।
বিশ্বের সবচেয়ে বেশি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়া দেশগুলোর মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুক সহিংসতা একটি বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। বিশেষ করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা আবাসিক এলাকায় গ্যাং-সংঘর্ষ, ব্যক্তিগত বিরোধ ও অপরাধচক্রের কার্যক্রমের কারণে এই ধরনের হামলার ঘটনা প্রায়ই ঘটে।
উল্লেখ্য, গত বছরও জোহানেসবার্গের একটি মদের দোকানে বন্দুক হামলায় ৯ জন নিহত হয়েছিলেন। বিভিন্ন পরিসংখ্যানে দেখা যায়, দেশটিতে প্রায় ৩০ লাখ বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের পাশাপাশি প্রায় সমসংখ্যক অবৈধ অস্ত্র রয়েছে, যা সহিংসতা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন