প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সামরিক বাহিনীকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ভারত বড় ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। গতকাল দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ৫৪৬ কোটি মার্কিন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৫২০ বিলিয়ন রুপি) মূল্যের বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জামের ক্রয়ের জন্য নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। এই বিশাল চুক্তির আওতায় ক্ষেপণাস্ত্র, কামিকাজে ড্রোন, ড্রোন অ্যান্টি ব্যবস্থা এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম সংগ্রহ করা হবে।
ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সভাপতিত্বে এবং শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল (ডিএসি) এই ক্রয়ের অনুমোদন দিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে।
তবে, এই সামরিক সরঞ্জামগুলো কবে কেনা হবে, বিদেশ থেকে আমদানি করা হবে নাকি ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে তা তৈরি করা হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য বা সময়সীমা প্রকাশ করা হয়নি।
বিবৃতিতে জানানো হয়, ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য চুক্তির আওতায় ড্রোন বিধ্বংসী ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ব্যবস্থা, মাঝারি পাল্লার ভূপৃষ্ঠ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, বহনযোগ্য অ্যান্টি-ট্যাংক ক্ষেপণাস্ত্র এবং একটি অত্যাধুনিক জেট-ভিত্তিক কামিকাজে ড্রোন সিস্টেম কেনা হবে।
সেনাবাহিনীর পাশাপাশি নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সমুদ্রসীমার নজরদারি জোরদার করতে নতুন নৌ-মাইন এবং যুদ্ধজাহাজে ব্যবহারযোগ্য ড্রোন কেনার অনুমোদন দিয়েছে ডিএসি। এছাড়াও দেশের বিমানবাহিনীর গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও রিমোট সেন্সিংয়ের কাজের জন্য একটি উচ্চ-উচ্চতার চালকবিহীন বিমান (ড্রোন) প্ল্যাটফর্ম কেনার পরিকল্পনাও রয়েছে।
গত এক দশক ধরে ভারত তার প্রধান সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহকারী দেশ রাশিয়ার ওপর নির্ভরতাকে কমানোর চেষ্টা করছে। এর অংশ হিসেবে নয়াদিল্লি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের মতো দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক বাড়াচ্ছে এবং দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে ব্যাপক জোর দিচ্ছে।
বর্তমানে ভারতের প্রতিরক্ষা বাজেট ৮৫ বিলিয়ন ডলার। এই বিশাল বাজেটের একটি বড় অংশ ব্যয় হচ্ছে নৌবাহিনীর আধুনিকায়নে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ডিসেম্বরে ভারত অন্তত ৭৫টি যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিনের অর্ডার দেওয়া শুরু করেছে, যার বেশিরভাগই দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হচ্ছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে শীর্ষ কর্মকর্তারা ফরাসি রাফাল যুদ্ধবিমানসহ ৩৯ বিলিয়ন ডলার মূল্যের প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের ক্রয়ের অনুমোদন দিয়েছিলেন।
সূত্র: জিও নিউজ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন