প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে গাইবান্ধা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন খাদিজা বেগম।
মামলা দায়েরের পরেও আসামিদের হুমকির মুখে পালিয়ে বেড়াচ্ছে এক ভুক্তভোগী পরিবার। খাদিজা বেগম অভিযোগ করেছেন যে, অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা। তিনি আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
অনুষ্ঠানের সময় খাদিজা বেগম বলেন, গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের কুমেদপুর ডিপ বাজার এলাকার রিকশাচালক ফরিদুল ইসলামের স্ত্রী।
তিনি লিখিত বক্তব্যে জানান, গত ২ জুন একটি তুচ্ছ ঘটনার কারণে তার স্বামী ফরিদুল ইসলামের সাথে প্রতিবেশী সাদা মিয়ার ছেলে আসাদুল শেখ, আশরাফুল ইসলাম ও জিন্নাত আলীর মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এর পর আশরাফুল ইসলামের নির্দেশে আসাদুল শেখ, জিন্নাত আলী, সাদা শেখ, রশিদা বেগম, ববিতা বেগম, মারুফা বেগম এবং আফরোজা সংঘবদ্ধভাবে ফরিদুল ইসলামকে মারধর করে।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে পলাশবাড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছিলেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
তিনি আরো অভিযোগ করেন যে, চিকিৎসার জন্য পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে ব্যস্ত থাকার সুযোগে প্রতিপক্ষ তাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। এ সময় স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা, আসবাবপত্রসহ প্রায় ৫ লাখ টাকার দামি জিনিস লুট করে নেওয়া হয়েছে।
খাদিজা বেগমের দাবি, এ ঘটনায় পলাশবাড়ি থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি, বরং তাদের শাসিয়ে দিয়েছে। পরে ৯ জুন আদালতে মামলা দায়ের করার পর আদালত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে থানাকে নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত পুলিশ কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতার না হওয়ার কারণে তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। আসামিরা তাকে ও তার পরিবারকে নিয়মিত প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। এই কারণে তারা বাড়িতে ফিরতে পারছেন না এবং অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে চরম দুর্দশায় দিন কাটাচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে খাদিজা বেগম জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কাছে আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে তার শ্বশুর শফিকুল ইসলাম, স্থানীয় বাসিন্দা জোব্বারসহ এলাকার আরও কয়েকজন ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন