প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভোলা সদর উপজেলার একটি এলাকায় পরীক্ষায় খারাপ ফলাফলের কারণে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী মৃহাত ইসলাম তাকি (১৩) গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনাটি ঘটার পর পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে।
রবিবার (২৬ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ভোলা পৌর শহরের ৭নম্বর ওয়ার্ডের উকিল পড়া এলাকার ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত স্কুল ছাত্রী তাকি হচ্ছেন অভিযুক্ত উপজেলার ভেদুরিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের চর রমেস গ্রামের স্কুল শিক্ষক মাইনুল-সামসুন নাহার দম্পতির কন্যা। তিনি ভোলা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন এবং শহরের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পরীক্ষা দেওয়ার পর ওই ছাত্রী দেখেন যে কাঙ্ক্ষিত নম্বর তাকে দেওয়া হয়নি। এরপর স্কুল থেকে বাসায় ফিরে যাওয়ার পর তিনি বাবা-মায়ের বকাঝকার ভয়ে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এদিকে, তার বাবা-মা দুজনেই বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। নতুন, তারা বাসায় ছিলেন না। পরে সন্ধ্যায় তারা বাসায় ফিরে মেয়েকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে যে, পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ফলাফল খারাপ হওয়ায় বাবা-মায়ের ভয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন