প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পুলিশ স্টাফ কলেজে মাস্টার্স অব অ্যাপ্লাইড ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ ম্যানেজমেন্ট (এমসিএপিসিএম) শীর্ষক প্রোগ্রামের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ১০ম ব্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে এ ব্যাচের উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন পুলিশ স্টাফ কলেজের পরিচালক (একাডেমিক) সরকার ওমর ফারুক এবং সভাপতিত্ব করেন কলেজের রেক্টর কাজী মো. ফজলুল করিম। অনুষ্ঠানে পুলিশ স্টাফ কলেজকে পুলিশ শিক্ষা, গবেষণা ও পেশাগত নেতৃত্বের উৎকর্ষ কেন্দ্র হিসেবে আরো এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।
আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির মাস্টার্স প্রোগ্রামে নির্বাচিত সব অংশগ্রহণকারীকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক বাস্তবতায় পুলিশিংকে আরো আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও সময়োপযোগী হতে হবে।
সাইবার অপরাধ, সংগঠিত অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ, আর্থিক ও পরিবেশগত অপরাধ, ভুয়া তথ্যের বিস্তার এবং উদীয়মান প্রযুক্তির অপব্যবহারের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক জ্ঞান, গবেষণা ও পেশাগত দক্ষতার কোনো বিকল্প নেই।
তিনি আরো বলেন, আধুনিক পুলিশিংয়ের সাফল্য শুধুমাত্র অপরাধ দমন বা অপরাধী গ্রেপ্তারের মাধ্যমে নয়; বরং জনগণের আস্থা অর্জন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, মানবাধিকার সুরক্ষা, পেশাগত সততা, জবাবদিহিতা এবং নাগরিকদের মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করার মধ্যেই নিহিত।
আইজিপি আরো বলেন, পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশ উচ্চতর পুলিশ শিক্ষা, নেতৃত্ব উন্নয়ন ও গবেষণার ক্ষেত্রে একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি আধুনিক পুলিশ কর্মকর্তাদের কৌশলগত চিন্তাশীল, দক্ষ ব্যবস্থাপক, নৈতিক নেতৃত্বসম্পন্ন এবং আজীবন শিক্ষার্থী হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান।
অন্যদিকে, গবেষণা, তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ ও উদ্ভাবনী চিন্তার মাধ্যমে কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
উল্লেখ্য, এক বছর মেয়াদি ও দুই সেমিস্টারবিশিষ্ট এমসিএপিসিএম প্রোগ্রামের ১০ম ব্যাচে এবার মোট ৫০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছেন। তাদের মধ্যে পুলিশ, সশস্ত্র বাহিনী, চিকিৎসক, বিচার বিভাগ, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং বিভিন্ন পেশাজীবী প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন