প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানার পর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে দুই ঘণ্টা উৎকণ্ঠায় কাটিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত এক প্রবাসী। তিনি তার বোন ও মায়ের কোনো খোঁজ না পেয়ে তাদের বেঁচে থাকার বিষয়ে তীব্র সংশয় অনুভব করেন।
গতকাল সন্ধ্যায় ওই প্রবাসীর বোন ভেরোনিকা তার ভাইয়ের কাছে হোয়াটসঅ্যাপে একটি ভয়েস মেসেজ পাঠাতেন। এই বার্তায় আতঙ্কিত কণ্ঠে তিনি জানান, বাড়িটি ভয়ানকভাবে কেঁপে উঠেছে এবং এখনও কাঁপছে। এর পর আকস্মিকভাবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর পরবর্তী দুই ঘণ্টা ধরে ভেরোনিকা বা তার সঙ্গে থাকা মায়ের ফোনে বারবার চেষ্টা করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
কিছুক্ষণ পর কারাকাসের সাংবাদিকদের চ্যাট গ্রুপের মাধ্যমে ওই প্রবাসী জানতে পারেন যে সেখানে বড় একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এরই মাঝে তার এক বন্ধু তাকে লস পালোস গ্রান্দেস এলাকার একটি বহুতল ভবন ধসে পড়ার ভিডিও ক্লিপ পাঠান। ভিডিওটি দেখার পর উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়, কারণ ধসে পড়া ভবনটি তার মায়ের এবং বোনের অবস্থানস্থল থেকে মাত্র কয়েক মিটার দূরে ছিল।
এলাকাটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবরে পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছিল। ঠিক দুই ঘণ্টা পর ভেরোনিকা পুনরায় ইন্টারনেট সংযোগ ফিরে পেয়ে ফোনে আসতেই আকুল হয়ে জানান, 'আপু, আমি ভেবেছিলাম আমরা আজই মারা যাব।' কথাটি বলেই সংযোগটি আবার কেটে যায়। ভূমিকম্পের ধাক্কা সামলে তারা কি নিজেদের বাড়িটি এখনও বসবাসের উপযোগী কি না, তা দেখতে আগামীকালই ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে ভেরোনিকার।
সূত্র: বিবিসি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন