প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিজ্ঞানীরা ব্রাজিল উপকূলের আন্তর্জাতিক পানিসীমায় পরিচালিত একটি সামুদ্রিক অভিযানে ৩১টি সম্পূর্ণ নতুন প্রজাতির প্রাণীর সন্ধান পেয়েছেন। এই অভিযানটি ছিল দুই সপ্তাহ ব্যাপী। গবেষকদের মতে, এত কম সময়ে এতগুলো নতুন প্রজাতি খুঁজে পাওয়া এবং সেগুলোর শনাক্তকরণের ঘটনা সম্ভবত একটি রেকর্ড হতে পারে। এই অভাবনীয় সাফল্যে দারুণ ভূমিকা রেখেছে বিজ্ঞান ও প্রকৌশলী দলের তৈরি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, যার ডাকনাম ‘স্কুইড’ রাখা হয়েছে। এটি প্রথমবারের মতো ঘটছে যে কোনো জাহাজে বসে লেজার প্রযুক্তির মাধ্যমে জীবন্ত অণুজীবের ত্রিমাত্রিক কোষের পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া ও কঙ্কাল গঠনের প্রক্রিয়া সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়েছে। দুই ডজন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ, যাদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল ও জাপানের গবেষকরা অন্তর্ভুক্ত, এই জরিপটি পরিচালনা করেন। নতুন আবিষ্কৃত ৩১টি প্রজাতির মধ্যে রয়েছে কাঁকড়া ও লবস্টারের দূরসম্পর্কের আত্মীয় এক ধরনের ক্রাস্টেসিয়ান (অ্যাম্ফিপড), একটি দ্রুতগামী গসামার ওয়ার্ম বা কৃমি, ৯টি জেলিফিশ, জেলিফিশ ও প্রবালের গোত্রীয় ৭টি সাইফনফোর, সাঁতার কাটার জন্য ঝিলমিলে লোমযুক্ত ৭টি কম্ব জেলি, ৪টি লার্ভাসিয়ান যেগুলি ব্যাঙাচিসদৃশ প্রাণী এবং মিউকাসের ঘরে বাস করে। এছাড়া রয়েছে মেরুদ-হীন প্রাণীদের চেয়ে মানুষের বেশি কাছাকাছি এবং খালি চোখে দেখা যায় এমন দুটি বিশাল এককোষী রাইজারিয়ান। বিজ্ঞানীরা এই অভিযানকে সমুদ্রের স্তরের বিন্যাসের সঙ্গে তুলনা করেন। সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন