প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, সরকারের মূল লক্ষ্য শিক্ষা সংস্কারে লার্নিং আউটকাম বৃদ্ধি করা। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য সরকার পাঁচটি বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করছে। সেগুলো হলো— কারিকুলাম, শিক্ষক, প্রশাসন, অবকাঠামো এবং প্রযুক্তি। এই পাঁচটি ক্ষেত্রকে কেন্দ্রে রেখে ভবিষ্যতে শিক্ষা সংস্কার বাস্তবায়িত হবে।
সোমবার রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে ‘জিও-এনজিও কোলাবোরেশন ডায়ালগ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ববি হাজ্জাজ এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, সরকার প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত উন্নয়নে কার্যকর অংশীদারত্বের ভিত্তিতে এনজিওগুলোর সহযোগিতায় কাজ করতে চায়। এটি সরকারের একার কাজ নয়, বরং সরকারব্যবস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই শিক্ষায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনতে হবে।
ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিক শিক্ষাকে আরও আধুনিক, দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর করা সরকারের পরিকল্পনা। শিক্ষক প্রশিক্ষণ, শিক্ষক নিয়োগ এবং বদলি ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি, প্রশাসনিক দক্ষতা ও ডিজিটাল মনিটরিংয়ের পাশাপাশি নতুন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থাপনার জন্য। দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে পরিবর্তন আনতে গেলে বাস্তবসম্মত, সম্প্রসারণযোগ্য এবং টেকসই উদ্যোগ প্রয়োজন। এনজিওগুলোর মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা এবং উদ্ভাবনী মডেলগুলো সরকার কাজে লাগাতে চায়।
তিনি আরো উল্লেখ করেন, সরকার প্রতিবন্ধী শিশু, প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা, নন-ফরমাল শিক্ষা, শহরমুখী অভিবাসী শিশু, চা-বাগান এলাকার শিশু এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে একত্রে কাজ করছে।
অনুষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর এবং ব্র্যাকসহ বিভিন্ন এনজিওর কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন