প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির মৃত্যুতে সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং কুয়েত সরকার চার দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে।
আমিরাতের প্রেসিডেন্সিয়াল কোর্ট এই রাষ্ট্রীয় শোকের ঘোষণা দেয়।
এ সময় ১২ জুলাই রবিবার থেকে ১৫ জুলাই বুধবার পর্যন্ত দেশটির সকল সরকারি দপ্তর এবং বিদেশে অবস্থিত দেশটির দূতাবাস ও কূটনৈতিক মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।
এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্সিয়াল কোর্ট আল থানি পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে প্রয়াত আমিরের জন্য মহান আল্লাহর অশেষ রহমত এবং জান্নাত কামনা করা হয়েছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য ও শক্তি প্রার্থনা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ‘ফাদার আমির’ হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিত শেখ হামাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রবিবার থেকে কুয়েতজুড়ে এবং বিদেশে অবস্থিত দেশটির দূতাবাসগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।
শেখ হামাদ ১৯৯৫ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত কাতার শাসন করেছেন।
জ্বালানিসমৃদ্ধ দেশটির চোখধাঁধানো উন্নয়নের একজন গুরুত্বপূর্ণ কারিগর তিনি।
তাকে আধুনিক কাতারের স্থপতি ধরা হয়।
তিনি কাতারের বর্তমান আমিরের বাবা।
শেখ হামাদের শাসনামলে কাতারের অর্থনৈতিক, সামাজিক আর সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়।
এটি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশটির মর্যাদা বাড়িয়ে তোলে।
তার হাত ধরে কাতার একটি ধনী রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
তার শাসনামলেই কাতার এয়ারওয়েজের সম্প্রসারণ এবং ২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের অধিকার অর্জনের সফল কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছিল।
২০১৩ সালে শেখ হামাদ ক্ষমতা ছেড়ে দেন।
এরপর কাতারের আমির হন তাঁর ছেলে শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি।
তখন শেখ তামিমের বয়স ছিল ৩৩ বছর।
সূত্র: গাল্ফ নিউজ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন